দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে স্বৈরাচার আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপুর ছত্রছায়ায় থেকে কোটি কোটি কালো টাকার মালিক বনে যাওয়া কেরানীগঞ্জ উপজেলা তেঘরিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সাধারণ সম্পাদক নুর আলম এর নামে একাধিক মামলা রয়েছে, এখনো সে ধরাছোঁয়ার বাইরে। ফলে কেরানীগঞ্জ উপজেলার তেঘরিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন সংগঠনের রাজনৈতিক নেতা কর্মীদের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও অসন্তোষের সৃষ্টি হয়েছে। সেই সাথে দ্রুত ইঁদুরের গর্ত থেকে খুঁজে বের করে নুর আলমকে গ্রেফতারের দাবি উঠেছে স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝে।
আওয়ামী লীগের দুঃশাসন আমলে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার রাজেন্দ্রপুরের নুর আলম আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হয়েছেন। সে আওয়ামী লীগের সক্রিয় দোসর। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার আগে যিনি এলাকায় জমি বেচাকেনার দালালি, বাবার সঙ্গে পচা সাবান বেচাকেনা করে জীবন যাপন করতেন। এখন সে তেঘরিয়া ইউনিয়ন রাজেন্দ্রপুরে হাজার কোটি টাকা মালিকের মধ্যে একজন। সে আওয়ামী লীগের আমলে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ উপজেলা তেঘরিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহসাধারণ সম্পাদক পদ বাগিয়ে নিয়ে যত দুর্নীতি আছে সবই করেছেন বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপুকে হাত করে । আওয়ামী লীগের আমলে দুর্নীতি করে বনে যান কোটিপতি।
আওয়ামী লীগ ক্ষমতা আসার পর পিছু ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। স্বৈরাচার হাসিনার আমলে তিনি তেঘরিয়া ইউনিয়ন রাজেন্দ্রপুর আন্ডার পাস সংলগ্ন শেখ জবেদ আলী কমপ্লেক্স তৈরি করেন ৩০ কোটি টাকা দিয়ে, উল্লেখ্য যে শেখ জবেদ আলী কমপ্লেক্সের দক্ষিণ পাস বাউন্ডারিতে সরকারি খাস জমি প্রায় ১৫ শতাংশ রয়েছে, তৎকালীন তেঘরিয়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান হাজী জজ মিয়ার কাছে এলাকাবাসী দাবি জানায় উক্ত ১৫ শতাংশ সরকারি খাস জমিতে চেয়ারম্যানের উদ্যোগে একটি মসজিদ নির্মাণ করার জন্য চেয়ারম্যানও এলাকাবাসীকে আশ্বস্ত করেন মসজিদ নির্মাণ করবেন কিন্তু নূর আলম আওয়ামী লীগের বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপুর ক্ষমতা বলে উক্ত ১৫ শতাংশ খাস জমি এখনো জবর দখল করে ভোগ করছেন।
আরো উল্লেখ্য আওয়ামী লীগের উপজেলা চেয়ারম্যান শাহীন, তেঘরিয়া ইউনিয়নের অনেক মেম্বারদেরকেও আওয়ামী লীগের দলীয় নির্বাচন করার জন্য দিয়েছেন লক্ষ লক্ষ টাকা। এমনকি ছাত্র আন্দোলনের সময় দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ তথা তেঘরিয়া ইউনিয়নের রাজেন্দ্রপুরে তার নেতৃত্বে ছাত্রদের বিপক্ষে আন্দোলন করে নিরীহ ছাত্র জনতাকে দমন নিপীড়ন করে। এত কিছু করার পরেও তিনি ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছেন বলে আক্ষেপ স্থানীয়দের। তাই প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করছে সচেতন মহল।
অন্যের জমি জবরদখল কারীকে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি তেঘরিয়া ইউনিয়ন রাজেন্দ্রপুরবাসীর।
স্থানীয়রা জানায়, সে আওয়ামী লীগের বড় নেতা বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নজরুল হামিদ দিপুর হাত ধরে তেঘরিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সাধারণ সম্পাদক হয়ে কিভাবে ধরাছোঁয়ার বাইরে আছে। বেসরকারী উদ্যোগে নির্মিত ১০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র, কেরাণীগঞ্জ উপজেলাধীন বাস্তা ইউনিয়নের অন্তর্গত ১ম-ধলেশ্বরী সেতুর টোল প্লাজার পাশে (গলগলিয়া গ্রামে) অবস্থিত। গত ০২ ডিসেম্বর, ২০১২খ্রি: তারিখে বিগত সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উক্ত power pac ১০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রটি শুভ উদ্বোধন করেন উক্ত ১০০ মেগায়াট বিদ্যুৎ কেন্দ্র হতে নুর আলম প্রতিমাসে ৬০ লক্ষ টাকা উত্তোলন করতেন বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নজরুল হামিদ দিপুর ক্ষমতা বলে।তার নামে তুলসী খালী ব্রিজে লাকিরচরের পাশে ৩০০ বিঘা, ১তম ধলেশ্বরী সেতুর ১০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেন্দ্রের পাশে ১০০ দীঘা অবৈধ জমি রয়েছে, রাজেন্দ্রপুর এলাকার প্রিয়াঙ্কন আবাসিক প্রজেক্টের বিক্রয়কৃত বিভিন্ন ক্রেতাদের প্লট বুঝিয়ে না দিয়ে হাজার কোটি টাকার মালিক, তার রাজকীয় বাড়ি এবং বিলাস বহুল একাধিক গাড়ি রয়েছে। প্রশাসনের উচিৎ সব তদন্ত করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা। এ বিষয়ে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আল আমিন এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, তার নামে মামলা থাকলে জাস্টিফাই করে ব্যবস্থা নেব।