মোঃ রবিউল আওয়াল: ঢাকা জেলার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ উপজেলার অন্তর্ভুক্ত রাজেন্দ্রপুর থেকে পোস্তগোলা যাওয়ার/আসার পথে ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে রাজেন্দ্রপুর কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারে কোন গাড়ি নিয়ে উঠা এবং নামা যায় না, এমনকি ঢাকা কোট থেকে প্রতিদিন আসামি নিয়ে প্রিজন ভ্যান এবং প্রতিমাসে উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তাবৃন্দ কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার পরিদর্শনে আসা যাওয়ার সময় রাস্তা খুঁজে পান না? দুই তিনটা আন্ডারপাস অতিক্রম করে সচিব, জেলা প্রশাসক (ডিসি), পুলিশ সুপার (এসপি) মহোদয়গণ কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার পরিদর্শনে আসেন।

তেঘরিয়া ইউনিয়ন রাজেন্দ্রপুরবাসীও ঢাকা মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে ব্যবহার থেখে বঞ্চিত। কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারে কারা বন্দির আত্মীয়-স্বজন সাক্ষাৎ করতে এসে পড়েন বিপদে। যাত্রাবাড়ী থেকে আসা এক বন্দির আত্মীয় বলেন আমরা একটি মাইক্রোবাস করে এসেছি আমার ভাইয়ের সাথে সাক্ষাত করার জন্য, কারাগারের সামনে এসে পড়েছি বিপদে ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে থেকে নামার কোন রাস্তা নেই, এমনকি কেরানীগঞ্জ কারাগার থেকে ঢাকা মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে উঠারও কোন রাস্তা নেই। রাজেন্দ্রপুরের স্থানীয় একজন বলেন, আমরা রাজেন্দ্রপুরবাসী ঢাকা মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে ব্যবহার থেকে বঞ্চিত, কেরানীগঞ্জ কারাগারের সামনে একটি পকেট গেট তৈরি করা হলে আমরা খুবই উপকৃত হব।
রাজেন্দ্রপুর এর বাসিন্দা সুমন মোল্লা বলেন দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার সামনে যেভাবে একটি পকেট গেট তৈরি করা হয়েছে একইভাবে কারাগারের সামনে এমন একটি পকেট গেট তৈরি করা হলে আমরা ঢাকা মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে উঠে সহজেই ঢাকা-মাওয়া যেতে পারবো, সরকার এবং সংশ্লিষ্ট উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাবৃন্দর কাছে বিনীত আহবান কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারের সামনে পকেট গেট করার।
এ বিষয়ে ঢাকা জেলার জেলা প্রশাসক (ডিসি) তানভীর আহমেদ এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিষয়টি অবগত হলাম জনগণের সুবিধা হলে বিষয়টি খতিয়ে দেখবো।
ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার (এসপি) আনিসুজ্জামান এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিষয়টি অবগত করেছেন, ট্রাফিক পুলিশ এবং ঢাকা মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের সংশ্লিষ্ট সকলের সাথে কথা বলে জন সুবিধার্থে বিষয়টি খতিয়ে দেখব।
এ বিষয়ে তেঘরিয়া ইউপি চেয়ারম্যান হাজী লাট মিয়া বলেন, আমার ইউনিয়নের রাজেন্দ্রপুরবাসী ঢাকা থেকে এসে সরাসরি রাজেন্দ্রপুর এ প্রবেশ করতে পারে না, আব্দুল্লাহপুর অথবা হাসনাবাদ দিয়ে দুই তিনটা আন্ডারপাস অতিক্রম করে রাজেন্দ্রপুর প্রবেশ করতে হয়। আমি এবং আমার রাজেন্দ্রপুরবাসীর পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট সকলের কাছে অনুরোধ জানাই কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারের সামনে পকেট গেট নির্মাণ করার।