আ.ন.ম.লুৎফুর রহমান:জামালপুর জেলার ইসলামপুর উপজেলার ধর্মকুড়া/পলবান্ধা গ্রামের সম্ভ্রান্ত পরিবারের জন্ম গ্রহন করেন ওসমান হারুনি। শিক্ষা জীবন শেষে সাংবাদিকতার পেশায় অনেক সুনাম কুড়িয়েছেন ওসমান হারুনি। তিনি মোহনা টেলিভিশ'র জামালপুর জেলা প্রতিনিধি, আমার দেশ পত্রিকার ইসলামপুর প্রতিনিধি ও সাপ্তাহিক জামালপুর সংবাদ এর সম্পাদক'র দক্ষতার সাখে দায়িত্বপালন করে আসছিলেন।
সংসার জীবনে স্ত্রী ও দুই ছেলে, পিতা-মাতা, ভাই বোনসহ অনেক বন্ধু-সহকর্মীদের কাঁদিয়ে না ফেরার পথ পাড়ি দেবেন কেনইবা। প্রশ্ন উঠেছে জনমনে।সরেজমিন ঘুরে ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সাংবাদিক হারুনি দীর্ঘদিন যাবৎ বিভিন্ন চিন্তায় মানসিকভাবে ভেঙ্গে পড়ে। কোন সঠিক পথ না পেয়ে আজ দুপুরে বেচে নেন ফাঁসির মৃত্যুর পথযাত্রা (ইন্নালিলাহে ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজেউ)।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সাংবাদিক ওসমান হারুনি'র বড় ছেলে ৮ম শ্রেণীতে লেখাপড়া করছে ছোট ছেলে পবিত্র কোরআন'র ৭-৮ পারা মুখস্ত করে হেফজ খানায় লেখাপড়া করছে।
সেই সাথে স্ত্রীর ডিগ্রিতে লেখাপড়ার বায়না ধরলে দুজনের মধ্যে বিবাদ সৃষ্টি হলে একপর্যায়ে সাংবাদিক ওসমান হারুনি বলেন, তোমার এই বয়সে লেখাপড়া করার প্রয়োজন নেই আর সংসারের অভাবটাও তো একটু দেখতেছো অপর দিকে আমাদের ঋণ'র বোঝা দিনদিন বেড়্ই যাচ্ছে।এই বিষয় নিয়ে বিবাধ দীর্ঘ হলে সকলের অজান্তে ঘরের দরজা লাগিয়ে গলায় ফাঁসি দিয়ে মৃত্যুর পথ বেঁচে নেন সাংবাদিক ওসমান হারুনি।
আজ বাদ মাগরিব জানাযা নামাজ শেষে ইসলামপুর কেন্দ্রীয় কবরস্থানে দাফন করা হয়। তার মৃত্যুতে জামালপুর জেলা সদরের বিভিন্ন উপজেলার প্রেসক্লাব ও কলম সেনৈকদের সংগঠন'র পক্ষ থেকে গভীর মমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন। সেই সাথে ইসলামপুর প্রেসক্লাব'র পক্ষ থেকে ৩ দিনব্যপাী শোকবার্তার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।