মওদুদ আহম্মেদ, পঞ্চগড় প্রতিনিধিঃ পঞ্চগড়ে প্রতীক বরাদ্দের আগেই পঞ্চগড়-১ আসনে এনসিপি ও জামায়াত সমর্থিত প্রার্থী সার্জিস আলমের বিরুদ্ধে পথসভা, আগাম নির্বাচনী ক্যাম্পেইন ও ফেসবুক প্রচারণার অভিযোগ উঠেছে। যা নির্বাচনী আচরণ বিধির প্রকাশ্য অবমাননা। এটা স্পষ্টভাবে পরিকল্পিত সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা—আর কিছুই না বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
এই বেআইনি আচরণের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছেন বিশিষ্ট আইনজীবী, রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও লেখক ব্যারিস্টার নওফল জমির। এ ধরনের আগ্রাসী প্রচারণা পঞ্চগড়ের মানুষের ভোটাধিকারকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলে এবং প্রতিদ্বন্দ্বিতাকে ইচ্ছাকৃতভাবে অসম ও একতরফা বলে অভিযোগ জানিয়েছেন তিনি।
পঞ্চগড়ের সাধারণ মানুষও প্রতিক বরাদ্দের পূর্বে নির্বাচনী প্রচারণের ব্যাপারটা একতরফা প্রচারণার অংশ হিসেবে দেখছেন। তাদের প্রশ্ন খুব সরল— যদি নিয়ম এক পক্ষের জন্য থাকে আর অন্য পক্ষের জন্য না-থাকে, তাহলে এটাকে নির্বাচন বলব নাকি প্রহসন?
নির্বাচন কমিশনের নীরবতা এই বেআইনি কর্মকাণ্ডকে আরও উৎসাহ দিচ্ছে। কমিশনের এখানেও দায় আছে, আর সেই দায় আড়ালে রাখার কোন সুযোগ নেই। এই বিষয়ে নির্বাচন কমিশন কে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন পঞ্চগড়ের বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ।