করিমগঞ্জ প্রতিনিধি: কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলার নোয়াবাদ ইউনিয়নের উলুখলা গ্রামে তুচ্ছ রাস্তা বিরোধকে কেন্দ্র করে উপজেলা কৃষক দলের সদস্য সচিব জহিরুল ইসলাম বকুলের ওপর পরিকল্পিত ও নৃশংস হামলার ঘটনা ঘটেছে। গুরুতর আহত অবস্থায় তিনি বর্তমানে করিমগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে বসতবাড়ির পাশের একটি চলাচলের রাস্তা নিয়ে জহিরুল ইসলাম বকুলের সঙ্গে তার চাচাতো ভাইদের বিরোধ চলছিল। এই বিরোধের জের ধরে পূর্বপরিকল্পিতভাবে তার ওপর হামলা চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, জাহাঙ্গীর, ইকবাল, সোহাগ ও মুসা (পিতা: তাহের মিয়া) সংঘবদ্ধ হয়ে লাঠিসোঁটা নিয়ে একতরফাভাবে জহিরুল ইসলাম বকুলের ওপর হামলা চালায়। হামলার সময় তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করা হয়, এতে তিনি গুরুতর আহত হয়ে ঘটনাস্থলেই লুটিয়ে পড়েন।
পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত করিমগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তার আঘাত গুরুতর হওয়ায় তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।
এ ঘটনায় এলাকায় চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে। স্থানীয়রা এটিকে পরিকল্পিত ও নৃশংস হামলা হিসেবে উল্লেখ করে দ্রুত দোষীদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
আহত বকুলের পরিবার অভিযোগ করে বলেন, “পূর্ব শত্রুতার জের ধরে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে এ হামলা চালানো হয়েছে।” তারা অবিলম্বে জড়িতদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
এ বিষয়ে করিমগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ ইমরানুল কবির বলেন, “ঘটনার খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশ ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। অভিযোগ পেলে দ্রুত আসামিদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে।”
এদিকে, রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলেও এ ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ দেখা দিয়েছে। স্থানীয় নেতাকর্মীরা দ্রুত বিচার নিশ্চিতের দাবি জানিয়েছেন।