চট্টগ্রাম প্রতিনিধি: আসন্ন ইউপি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সদ্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীরা জোর লবিং শুরু করেছে। ইতিমধ্যে নির্বাচন কমিশন আসন্ন ইউপি নির্বাচনে ইঙ্গিত পাওয়ার পর ক্ষমতাসীন জাতীয়তাবাদী দল নেতা কর্মীরা সারা বাংলাদেশ মাঠে ময়দানে সক্রিয় উপস্থিতি মাধ্যমে জানান দিচ্ছে তারা চেয়ারম্যান প্রার্থী হচ্ছেন। পাশাপাশি জনগণের সেবামুলক কর্মকাণ্ড বৃদ্ধি করার মাধ্যমে আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান মেম্বার, মহিলা মেম্বার প্রার্থীরা সামাজিক যোগাযোগ বাড়িয়ে দিয়েছেন।এমনইটা আবাস মিলছে ভোটারদের সাথে কথা বলে। সারাদেশে ন্যায় চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলায় ১৭টি ইউনিয়নে নির্বাচনী হাওয়া বইতে শুরু করেছে।সদ্ভাব্য চেয়ারম্যান মেম্বার ও সংরক্ষিত মহিলা মেম্বার প্রার্থীরা দলের হাইকমান্ড থেকে শুরু করে তৃণমূল পর্যায়ে নেতাকর্মীদের সাথে যোগাযোগ বৃদ্ধি করে নিজেদের শক্ত অবস্থান জানান দিচ্ছেন। নিজেদের কর্মীদের মনোবল বাড়িয়ে সামর্থ্য ও কৌশল নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু করেছে।
এর ধারাবাহিকতায় পটিয়া উপজেলার ভাটিখাইন ইউনিয়ন বিএনপি সমর্থিত একাধিক সদ্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীর নাম শুনা যাচ্ছে।তার মধ্যে জাতীয়তাবাদী তরুণ দলের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ সোহেল সওদাগর নামও শুনা যাচ্ছে। দীর্ঘ আন্দোলন সংগ্রামে তিনি রাজপথ অগ্রনী ভুমিকা পালন।
যাহা তৃণমূল পর্যায়ে নেতাকর্মীরা শিকার করেন।তিনি দলের জন্য ত্যাগ, শ্রম, টাকা আন্দোলন, তরুণ দলকে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলায় শক্তি শালী করতে দীর্ঘদিন কাজ করেছেন। আসন্ন ইউপি নির্বাচনে তিনি একজন সদ্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী বিষয়টি প্রতিবেদকের কাছে শিকার করে বলেন দলের দুঃসময় তিনি রাজপথ সকল কর্মসূচি বাস্তবায়ন করতে নিরলস ভাবে কাজ করেছেন।
বিগত ১৭ বছর আওয়ামী লীগ ফ্যাসিষ্ট সরকারের মামলা হামলা জুলুম নির্যাতন সহ্য করে দলকে শক্তি শালী অবস্থানে নিয়ে এসেছেন।
সদ্ভাব্য ভাটিখাইন ইউনিয়ন পরিষদের বিএনপির সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থী মো: সোহেল সওদাগর দৈনিক জনতা কে জানান, বর্তমান সময়ে সাধারণ মানুষ তাদের মৌলিক অধিকার ও সরকারি সেবা পেতে গিয়ে বিভিন্নভাবে হয়রানির শিকার হচ্ছেন। একটি ডিজিটাল ও উন্নত রাষ্ট্র গঠনে নাগরিক সেবা সহজ ও স্বচ্ছ হওয়া জরুরি। আমি নির্বাচিত হলে এই এলাকাকে সম্পূর্ণ দুর্নীতি ও হয়রানিমুক্ত করব। সরকারি - বেসরকারী যেকোনো সেবার জন্য সাধারণ মানুষকে যেন কোনো মধ্যস্বত্বভোগী বা দালালের মুখোমুখি হতে না হয়, তা নিশ্চিত করাই হবে আমার মূল লক্ষ্য।তিনি আরও বলেন,বিএনপির চেয়ারম্যান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নীতি আদর্শ ৩১ দফা বাস্তবায়ন তিনি এলাকার রাস্তাঘাটের উন্নয়ন, চিকিৎসাসেবা প্রাপ্তি সহজ করা এবং যুবসমাজের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করার পাশাপাশি একটি জবাবদিহিতামূলক প্রশাসন গড়ে তুলতে তিনি কাজ করবেন। দল-মত নির্বিশেষে সর্বস্তরের মানুষের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করায় তার লক্ষ্য তিনি সকলের সহযোগিতা দোয়া আশীর্বাদ কামনা করেন