• বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:২১ অপরাহ্ন
Headline
করিমগঞ্জে নকল ভূষি উৎপাদন, তিন প্রতিষ্ঠানকে ৭৩ হাজার টাকা জরিমানা যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয় পেলেন বাংলাদেশি মোংলায় বাংলাদেশ-চীন অর্থনৈতিক ও অবকাঠামোগত সহযোগিতা বাড়াতে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর এক দিনের সরকারি সফরে মোংলায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পাইকগাছা পৌরসভায় পরিচ্ছন্নতা ক্যাম্পেইন, নির্দিষ্ট স্থানে ময়লা ফেলার আহ্বান শার্শার গোগা সীমান্ত এলাকা থেকে বিজিবি’র অভিযানে-৪৮৬ বোতল ভারতীয় নেশা জাতীয় সিরাপ উদ্ধার কিশোরগঞ্জে ট্রাফিক সচেতনতা, কিশোরগ্যাং, বাল্যবিবাহ ও ইভটিজিং প্রতিরোধে পুলিশের সচেতনতামূলক অনুষ্ঠান সীমান্তে শান্তি-শৃংখলা ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় দুই দেশের বিজিবি-বিএসএফের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বৈঠক পাইকগাছায় মরহুম শামসুর রহমানের স্মরণে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত জাতীয় যুব দিবস উপলক্ষে করিমগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের চারাগাছ বিতরণ ও রোপণ

ভূমিহীনরা খোলা আকাশের নিচে, চান সরকারি জমিতে আবাসন

রাকিবুল আওয়াল পাপুল শেরপুর প্রতিনিধি / ১৮৯ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২১ আগস্ট, ২০২৫

রাকিবুল আওয়াল পাপুল, শেরপুর জেলা প্রতিনিধিঃ শেরপুরের ঝিনাইগাতীর বাকাকুড়া বাজারে ভূমি অফিস নির্মাণের জন্য সরকারি খাস জমি থেকে উচ্ছেদ করা হয়েছে অন্তত ১২ ভুমিহীন পরিবারকে। ৩৬ শতাংশের সরকারি খাস জমি থেকে ১৪টি দোকান ও ঘরবাড়ি উচ্ছেদ করায় অর্ধশতাব্দী ধরে বসবাসকারী পরিবারগুলো এখন খোলা আকাশের নিচে আশ্রয়হীন বসবাস করছেন।

উচ্ছেদকৃত পরিবারগুলোর দাবি, তারা বেশিরভাগই দিনমজুর বা ছোট দোকান চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতো। তাদের একমাত্র ভরসা ছিল এসব দোকান ও ঘর। উচ্ছেদের সময় প্রায় ৪০ লাখ টাকার মালামাল নষ্টের অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা।

সরকারি জমিতে আবাসন ও জীবকা নির্বাহের ব্যবস্থার দাবি এ ভুমিহীন পরিবারের সদস্যদের।

ভুমিহীন পরিবারের সদস্য শাহজালাল জানান, আমরা ভুমিহীন পরিবার। ছোট থেকেই আমি এখানে বড় হয়েছি। আমার বাপ মা এখানে থাকতো। খাস জমি তো আরও অনেক আছে। কিন্তু আমাদেরটায় ভেঙে দিলো। আমরা এখন সবহারা হয়ে পথে বসে আছি। আমাদের সরকারি জমিতে একটা ব্যবস্থা করুক।

ভুমিহীন সুর্য বানু বলেন, বাবাগো আমরা ভুমিহীন কইরায় তো খাস জমিত থাকি। আমাগর সব কিছু শেষ। সরকার আমাগো থাহার এডা ব্যবস্থা করুক।

খাসজমির ব্যবসায়ী মানিক বলেন, আমরা তো জানতাম না যে সব ভাইঙ্গা দিবো। আমরা কিছু না বোঝার আগে হটাৎ কইরা সব ভাঙা শুরু করছে। আমার দোকানে অনেক মাল ছিলো। সব টান দিতে পারি নাই। অনেক মাল নষ্ট হইছে, অনেক মাল ভেঙেও গেছে। আমরা ব্যবসায়ীরা প্রায় ৪০ লাখ টাকার মালামাল হারিয়েছি।

ঝিনাইগাতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আশরাফুল ইসলাম রাসেল জানান, উচ্ছেদকৃতরা দীর্ঘদিন খাস জমি দখল করে বসবাস করে আসছিলো। সেখানে ভূমি অফিস নির্মাণ করা হচ্ছে। ভুক্তভোগীদের পুনর্বাসনের জন্য আবেদনের ভিত্তিতে যাচাই-বাছাই করে সহযোগিতা ও পুনর্বাসন করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category