• বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:০৯ অপরাহ্ন
Headline
যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয় পেলেন বাংলাদেশি মোংলায় বাংলাদেশ-চীন অর্থনৈতিক ও অবকাঠামোগত সহযোগিতা বাড়াতে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর এক দিনের সরকারি সফরে মোংলায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পাইকগাছা পৌরসভায় পরিচ্ছন্নতা ক্যাম্পেইন, নির্দিষ্ট স্থানে ময়লা ফেলার আহ্বান শার্শার গোগা সীমান্ত এলাকা থেকে বিজিবি’র অভিযানে-৪৮৬ বোতল ভারতীয় নেশা জাতীয় সিরাপ উদ্ধার কিশোরগঞ্জে ট্রাফিক সচেতনতা, কিশোরগ্যাং, বাল্যবিবাহ ও ইভটিজিং প্রতিরোধে পুলিশের সচেতনতামূলক অনুষ্ঠান সীমান্তে শান্তি-শৃংখলা ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় দুই দেশের বিজিবি-বিএসএফের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বৈঠক পাইকগাছায় মরহুম শামসুর রহমানের স্মরণে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত জাতীয় যুব দিবস উপলক্ষে করিমগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের চারাগাছ বিতরণ ও রোপণ জামালপুরের মেলান্দহে জাতীয় যুব দিবস উদযাপন, বিতরণ ৪ লাখ টাকার যুব ঋণ

হবিগঞ্জে আক্তার বাহিনীর ত্রাস: মাদক, সন্ত্রাস, অপহরণ ও ভূমিদস্যুতায় অতিষ্ঠ জনসাধারণ

নিজস্ব প্রতিবেদক / ১১২৯ Time View
Update : শনিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক: হবিগঞ্জের মাধবপুর ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে কুখ্যাত আক্তার বাহিনী ত্রাস সৃষ্টি করে আসছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, আক্তার বাহিনীর প্রধান, আক্তার সেনাবাহিনীতে চাকরির সুবাদে সংগ্রহ করা ৬ সেট সেনা পোশাক ও অবৈধ অস্ত্র ব্যবহার করে এলাকায় একপ্রকার ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে।

আক্তার ও তার সহযোগী বাবুল, দুলাল গংরা সংগঠিত চক্র গড়ে তুলে—

মাদক ব্যবসা চালাচ্ছে

সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ঘটাচ্ছে

অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায় করছে

ভূমি দখল ও ভূমিদস্যুতায় লিপ্ত রয়েছে

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ

মাধবপুর সাতিয়াইন ইউনিয়নের জাহির মিয়ার ছেলে কামরুল ইসলাম জানান,
“কিছুদিন আগে আক্তার, বাবুল ও দুলাল গংরা আমার তিন বছরের ছেলেকে অপহরণ করে ২০ লাখ টাকা মুক্তিপণ আদায় করেছে। শুধু তাই নয়, তারা আমাকে ব্যবসা করতে দিচ্ছে না। প্রতিনিয়ত প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে।”আমি সরকারের আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে সঠিক বিচার দাবি জানাই। তিনি আরো বলেন আক্তার গংরা আমাকে বিভিন্নভাবে হয়রানি করার জন্য মাদক অথবা অবৈধ অস্ত্র দিয়ে ফাঁসানোর চেষ্টা করে যাচ্ছেন।

মাধবপুর নোয়াপাড়া গ্রামের তাপস আহমেদ অভিযোগ করে বলেন,
“বিগত ১৫ দিন আগে আক্তার, বাবুল ও দুলাল আমাকে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে যায়। পরে তারা নৃশংসভাবে পিটিয়ে আমার হাত-পা ভেঙে পঙ্গুত্ব করে দেয়।”

সহযোগীদের অপরাধের ইতিহাস

এলাকাবাসীর দাবি, আক্তারের অন্যতম সহযোগী বাবুল দুইটি মামলায় সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি হওয়া সত্ত্বেও প্রকাশ্যে বুক ফুলিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন এবং আক্তার বাহিনীর হয়ে কার্যক্রম চালাচ্ছেন।

অন্যদিকে আক্তারের আরেক সহযোগী দুলাল দুই বছর আগে সেনাবাহিনীতে চাকরিরত অবস্থায় স্টোর রুম থেকে ওষুধ চুরির দায়ে চাকরিচ্যুত হন। চাকরি হারানোর পর তিনি আক্তার বাহিনীতে যোগ দেন এবং বর্তমানে এলাকায় মাদক ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছেন। কিছুদিন আগে সাতিয়াইন ইউনিয়নে যুবসমাজের কাছে প্রকাশ্যে মাদক বিক্রি করার দায়ে উক্ত ইউনিয়নের সমস্ত অভিভাবক মিলে দুলালকে আইন শৃঙ্খলা কারীর নিকট সপদ্দ করে, এক থেকে দেড় মাস পর জেল থেকে বের হয়ে যারা তাদেরকে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার নিকট ধরিয়ে দিয়েছিল তাদেরকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে যাচ্ছেন।

আতঙ্কে সাধারণ মানুষ

এমন একের পর এক ঘটনার কারণে স্থানীয় ব্যবসায়ী, কৃষক ও সাধারণ মানুষ ভীষণ আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। নিরাপত্তাহীনতার কারণে অনেকে এলাকায় স্বাভাবিকভাবে কাজকর্ম করতে পারছেন না।

এলাকাবাসীর দাবি

এলাকাবাসী দ্রুত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হস্তক্ষেপ কামনা করে বলছে,
“আক্তার বাহিনীকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা না হলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠবে।”
এ বিষয়ে সাতিয়াইন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ মিনহাজ উদ্দিন চৌধুরী কাসেন জানান, আমার সাতিয়াইন ইউনিয়ন এবং আশেপাশের ইউনিয়নে কিছু মাদক ব্যবসায়ী মাদক ব্যবসা করে যুব সমাজকে ধ্বংস করে দিচ্ছেন, আইন প্রয়োগকারী সংস্থার নিকট জোর দাবি জানিয়েন বলেন, মাদক,সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার করে সাতিয়াইন ইউনিয়ন তথা যুব সমাজকে বাঁচানোর জন্য।
এ বিষয়ে মাধবপুর থানার দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category