এর আগে সকাল ৮টা ৪৫ মিনিটে রাজধানীর গুলশান এভিনিউয়ের নিজ বাসভবন থেকে তেজগাঁও বিমানবন্দরের উদ্দেশে যাত্রা করেন প্রধানমন্ত্রী। সকাল ৯টায় হেলিকপ্টারযোগে মোংলার উদ্দেশে রওনা হন তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর এ সফরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি হচ্ছে মোংলা বন্দরের সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়ন। এ উপলক্ষে ৪ হাজার ৬৮ কোটি টাকা ব্যয়ে দুটি কনটেইনার জেটি নির্মাণ এবং আনুষঙ্গিক অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন তিনি। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি, পণ্য পরিবহনে গতি সঞ্চার এবং দেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে মোংলায় ইনভেস্ট বাংলাদেশ ও চায়না রেলওয়ে কনস্ট্রাকশন করপোরেশনের (সিআরসিসি) মধ্যে বিনিয়োগ সহযোগিতাবিষয়ক একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের কর্মসূচি রয়েছে। এ উদ্যোগের মাধ্যমে বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগ ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে।
মোংলার কর্মসূচি শেষে প্রধানমন্ত্রী হযরত খান জাহান আলী (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত করবেন।
পরে বিকেলে খুলনা জেলা স্টেডিয়ামে আয়োজিত ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস (সিজন-২)’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন তিনি।
সফরসূচি অনুযায়ী, দিনের কর্মসূচি শেষে সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর এ সফরকে ঘিরে মোংলা বন্দরসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনৈতিক উন্নয়ন, বিনিয়োগ সম্প্রসারণ ও ক্রীড়াঙ্গনে নতুন প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।