• বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:৩৬ অপরাহ্ন
Headline
করিমগঞ্জে নকল ভূষি উৎপাদন, তিন প্রতিষ্ঠানকে ৭৩ হাজার টাকা জরিমানা যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয় পেলেন বাংলাদেশি মোংলায় বাংলাদেশ-চীন অর্থনৈতিক ও অবকাঠামোগত সহযোগিতা বাড়াতে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর এক দিনের সরকারি সফরে মোংলায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পাইকগাছা পৌরসভায় পরিচ্ছন্নতা ক্যাম্পেইন, নির্দিষ্ট স্থানে ময়লা ফেলার আহ্বান শার্শার গোগা সীমান্ত এলাকা থেকে বিজিবি’র অভিযানে-৪৮৬ বোতল ভারতীয় নেশা জাতীয় সিরাপ উদ্ধার কিশোরগঞ্জে ট্রাফিক সচেতনতা, কিশোরগ্যাং, বাল্যবিবাহ ও ইভটিজিং প্রতিরোধে পুলিশের সচেতনতামূলক অনুষ্ঠান সীমান্তে শান্তি-শৃংখলা ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় দুই দেশের বিজিবি-বিএসএফের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বৈঠক পাইকগাছায় মরহুম শামসুর রহমানের স্মরণে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত জাতীয় যুব দিবস উপলক্ষে করিমগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের চারাগাছ বিতরণ ও রোপণ

শেরপুরের বৈশা বিলে সৌন্দর্য ভরা গোলাপি পদ্মফুলের বাহার

সুলতানা আহমেদ ময়না বিশেষ প্রতিনিধি শেরপুর। / ৩৮৭ Time View
Update : শুক্রবার, ২২ আগস্ট, ২০২৫

সুলতানা আহাম্মেদ ময়না (শেরপুর): শেরপুর জেলার শ্রীবরদী উপজেলার বৈশাবিলে অপরূপ রূপে সেজেছে গুলাপি পদ্মের বাহারি সাজে। এ যেন লাল পদ্মের সৌন্দর্যের রাজ্য। গোলাপি রঙের পদ্মফুলে ছেয়ে গেছে পুরো বিলাঞ্চল আর এর সৌন্দর্যের রূপ প্রকাশ পেয়েছে ইতিমধ্যেই শেরপুর জেলা জুড়ে শুধু নয় দেশব্যাপী। এ দৃশ্য উপভোগ করতে কার না মনে চায়? আর তাই প্রতিদিনই ভিড় করছেন নানা বয়সের দর্শনার্থীরা।

বৈশাবিলটি শেরপুর জেলা শহর থেকে প্রায় ১৪ কিলোমিটার দূরে। বছরের প্রায় ৮ থেকে ১০ মাসই এই বিলে পানি থাকে। তবে এবারই প্রথম পুরো বিলে একসঙ্গে ফুটেছে অসংখ্য গোলাপি পদ্মফুল। যা দূর থেকে দেখতে একেবারে ‘পদ্মবিল’-এর মতোই মনে হয়।

সরেজমিনে দেখা যায়, বিলের শান্ত পানির বুকে প্রস্ফুটিত পদ্মফুলের মনকাড়া সৌন্দর্য উপভোগ করছেন দূর দূরান্ত থেকে আসা প্রকৃতি প্রেমীরা। কেউ ছবি তুলছেন, কেউ ছোট ডিঙ্গি নৌকায় ঘুরে ঘুরে উপভোগ করছেন আবার কেউ বা দাঁড়িয়ে দেখছেন এই অপরূপ দৃশ্য।
স্থানীয়দের মতে, গত ৪-৫ বছর ধরে অল্প স্বল্প পদ্মফুল ফুটলেও এবারের মতো এক সঙ্গে এত বিপুল সংখ্যক পদ্ম ফুল ফোটা আগে আর দেখা যায়নি। সাধারণত বর্ষাকালেই এই ফুল ফোটে এবং সারা বছর থাকে না। আগে নানা বিল ও জলাশয়ে পদ্মফুল দেখা গেলেও বর্তমানে জলাভূমি ভরাটের কারণে এমন দৃশ্য সচরাচর চোখেই পড়ে না। তাই এই বছর বৈশা বিলে পদ্মফুলের এই সমারোহ যেন এক নতুন সম্ভাবনা ও আনন্দের উৎস হয়ে উঠেছে।

অপর দিকে, বিলের পানিতে শিশুদের শাপলা-পদ্মফুল তুলতে দেখা যায়। তাদের উচ্ছ্বাসে যোগ হয়েছে নতুন উচ্ছাসে ফুল তুলার ধুম। স্থানীয় বাসিন্দারাও আনন্দিত এমন অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দেখে। যা একদিকে যেমন পর্যটনের সম্ভাবনা তৈরি করছে। তেমনি প্রকৃতি সংরক্ষণের গুরুত্ব ও নতুন করে স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে।

শ্রীবরদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ. জাবের আহমেদ বলেন, এক সময় আমাদের বিভিন্ন নদী-নালা, খাল-বিল জুড়ে পদ্মফুলের মনোমুগ্ধকর সৌন্দর্য দেখা যেত। তবে সময়ের পরিবর্তনে এবং বিল ও জলাশয় ভরাটের কারণে এখন আর সেভাবে পদ্মফুল খুব একটা চোখে পড়ে না। অনেকেই বলছেন, এই নয়নাভিরাম ফুল যেন আজ বিলুপ্তির পথে। তাই বৈশা বিলে দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, রাস্তা সংস্কারসহ প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। যেন মানুষ আবার প্রকৃতির এই অনন্য রূপ ও সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category