• বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:৫৩ অপরাহ্ন
Headline
করিমগঞ্জে নকল ভূষি উৎপাদন, তিন প্রতিষ্ঠানকে ৭৩ হাজার টাকা জরিমানা যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয় পেলেন বাংলাদেশি মোংলায় বাংলাদেশ-চীন অর্থনৈতিক ও অবকাঠামোগত সহযোগিতা বাড়াতে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর এক দিনের সরকারি সফরে মোংলায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পাইকগাছা পৌরসভায় পরিচ্ছন্নতা ক্যাম্পেইন, নির্দিষ্ট স্থানে ময়লা ফেলার আহ্বান শার্শার গোগা সীমান্ত এলাকা থেকে বিজিবি’র অভিযানে-৪৮৬ বোতল ভারতীয় নেশা জাতীয় সিরাপ উদ্ধার কিশোরগঞ্জে ট্রাফিক সচেতনতা, কিশোরগ্যাং, বাল্যবিবাহ ও ইভটিজিং প্রতিরোধে পুলিশের সচেতনতামূলক অনুষ্ঠান সীমান্তে শান্তি-শৃংখলা ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় দুই দেশের বিজিবি-বিএসএফের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বৈঠক পাইকগাছায় মরহুম শামসুর রহমানের স্মরণে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত জাতীয় যুব দিবস উপলক্ষে করিমগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের চারাগাছ বিতরণ ও রোপণ

কারাগার হবে একজন বিপথগামীর জন্য সংশোধনাগার-কারামহাপরিদর্শক

নিজস্ব প্রতিবেদক / ১১০ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: কারা মহাপরিদর্শক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ মো. মোতাহের হোসেন বলেছেন, আমাদেরকে নিরবে কাজ করতে হয়। আমরা বিশ্বাস করি কারাগার হবে একজন বিপথ গামীর জন্য সংশোধনাগার। আমি আশা করি, এ দায়িত্ব পালনে কারারক্ষীরা সদা সচেষ্ট থাকবে এবং নিজেদের সর্বোচ্চ ত্যাগ দিয়ে তা যথাযথ ভাবে পালনে দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ থাকবে। প্রতিটি ক্ষেত্রে সর্বশক্তিমান সৃষ্টি কর্তার উপর আস্থা রেখে দায়িত্ব পালনে এগিয়ে যেতে হবে।

বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) রাজশাহী কারা প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে ৬৩তম ব্যাচ কারা রক্ষী বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্স সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে নবীন কারারক্ষীদের উদ্দেশে এসব কথা বলেন তিনি । সাফল্যের সাথে কঠোর প্রশিক্ষণ সমাপ্ত করে কারারক্ষীদের শপথ গ্রহণের মাধ্যমে নতুন ভাবে পথ চলার আহ্বান জানিয়ে মহাপরিদর্শক বলেন, কারা বিভাগ বাংলাদেশের একটি সুপ্রাচীন প্রতিষ্ঠান। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের পর স্বাধীন বাংলাদেশে জেল এর যাত্রা শুরু হয়। যার ধারাবাহিকতায় বর্তমান সময়ে এসে বাংলাদেশ জেল একটি স্বচ্ছ এবং সেবা ধর্মী প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে ওঠার চেষ্টা করছে, যার মূল লক্ষ্য হলো বন্দীদেও সংশোধন করে আলোর পথ দেখানো।

কারারক্ষীর জীবন শুধু একটি চাকুরি নয়, এটি একটি সুবিন্যাস্ত জীবন ব্যবস্থা-এ কথা মনে করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, তোমরা এ পর্যন্ত যে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছ, তা ছিল কারারক্ষী জীবনে পদার্পণ করার জন্য মৌলিক প্রশিক্ষণ মাত্র। এই প্রশিক্ষণের বিভিন্ন কর্মকান্ডে তোমরা যে ভাবে নিষ্ঠা, একাগ্রতা ও দৃঢ়তার সাথে আত্মনিয়োগ করেছো, তা সত্যিই প্রশংসনীয় ও উৎসাহ ব্যঞ্জক। বিশেষত আজকের এই চৌকষ কুচকাওয়াজ তোমাদের দৃঢ় প্রত্যয় ও যোগ্যতার পরিচয় বহন করে। এসময় তিনি প্রশিক্ষণার্থীদের প্রতি এই উদ্যম আগামী দিন গুলো বজায় রাখার এবং নিজ নিজ কর্মক্ষেত্রের পরিবেশে খাপ খাইয়ে নিয়ে চলার আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, আজকের দিনটি তোমাদের প্রত্যেকের জীবনে একটি অবিস্মরণীয় দিন হয়ে থাকবে, কারণ আজ তোমাদের উপর অর্পিত হলো দেশের নানা ধরনের অপরাধীর দেখ ভালের এমন এক দায়িত্ব যা সাধারণ নাগরিকরা কখনও পর্যবেক্ষণের সুযোগ পায়না। এসময় কারারক্ষীরা যাতে কোনো ভাবে বিপথ গামী না হয়ে সেবা গ্রহণকারীদের প্রত্যাশা পূরণ করতে পাওে সেজন্য তাদেরকে সহযোগিতা করতে তিনি অভিভাবকদের প্রতি অনুরোধ জানান।

সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে সর্বমোট ৬৮৭জন কারারক্ষী অংশ নেন। এর মধ্যে সার্বিক বিষয়ে শ্রেষ্ঠ নবীন কারারক্ষী মো.তানভীন আহমেদ, ড্রিল এ নবীন কারারক্ষী মো. রাকিব মিয়া, পিটিতে নবীন কারারক্ষী মো.বাপ্পি হোসেন এবং ফায়ারিং এ নবীন কারারক্ষী দ্বিপংকর দাস, অস্ত্রবিহীন যুদ্ধে মো. রনি হোসেন এবং একাডেমিক এ মো. রিয়ন ইসলাম রোকন শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করেছে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, আরএমপি কমিশনার ড. মো. জিল্লুর রহমান, বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ, অতিরিক্ত কারা মহাপরিদর্শক কর্নেল মো. তানভীর হোসেন এবং বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) রাজশাহী সেক্টরের কমান্ডার কর্নেল সৈয়দ কামাল হোসেন। অনুষ্ঠানে নবীন কারারক্ষীদের অভিভাবকবৃন্দ, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category