• বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:৪৩ অপরাহ্ন
Headline
করিমগঞ্জে নকল ভূষি উৎপাদন, তিন প্রতিষ্ঠানকে ৭৩ হাজার টাকা জরিমানা যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয় পেলেন বাংলাদেশি মোংলায় বাংলাদেশ-চীন অর্থনৈতিক ও অবকাঠামোগত সহযোগিতা বাড়াতে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর এক দিনের সরকারি সফরে মোংলায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পাইকগাছা পৌরসভায় পরিচ্ছন্নতা ক্যাম্পেইন, নির্দিষ্ট স্থানে ময়লা ফেলার আহ্বান শার্শার গোগা সীমান্ত এলাকা থেকে বিজিবি’র অভিযানে-৪৮৬ বোতল ভারতীয় নেশা জাতীয় সিরাপ উদ্ধার কিশোরগঞ্জে ট্রাফিক সচেতনতা, কিশোরগ্যাং, বাল্যবিবাহ ও ইভটিজিং প্রতিরোধে পুলিশের সচেতনতামূলক অনুষ্ঠান সীমান্তে শান্তি-শৃংখলা ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় দুই দেশের বিজিবি-বিএসএফের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বৈঠক পাইকগাছায় মরহুম শামসুর রহমানের স্মরণে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত জাতীয় যুব দিবস উপলক্ষে করিমগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের চারাগাছ বিতরণ ও রোপণ

কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগারে ৯ কর্মচারীর বদলি: বলির পাঁঠা কারা? জেল সুপার ও জেলার কেন দায়মুক্ত?

চ্যানেল আর ডেস্ক রিপোর্ট / ৬৭১ Time View
Update : রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

চ্যানেল আর ডেস্ক রিপোর্ট: গাজীপুরের কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগারে সংঘটিত একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে ৯ জন কারা কর্মচারীর শাস্তিমূলক বদলি আদেশ জারি হওয়ায় প্রশাসনের ভেতরে ও বাইরে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে—এরা কি প্রকৃত অপরাধী, নাকি প্রশাসনিক ব্যর্থতার বলির পাঁঠা?

ঘটনার সূত্রপাত গত ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫, দুপুর আনুমানিক ৩টা ৩০ মিনিটে। অভিযোগ অনুযায়ী, কারা অভ্যন্তরের ভেতরে রাজনৈতিক/সন্ত্রাসবিরোধী মামলার ৩৬ জন বন্দী রাজনৈতিক স্লোগান দেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংশ্লিষ্ট কর্মচারীদের বিরুদ্ধে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ আনা হয়।
পরবর্তীতে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। সেই কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে অতিরিক্ত কারা মহাপরিদর্শক মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল স্বাক্ষরিত আদেশে ৯ জন কর্মচারীকে বদলি করা হয়।
তবে ভুক্তভোগী কর্মচারী ও তাদের সহকর্মীদের অভিযোগ, তদন্তে প্রকৃত দায় নির্ধারণ না করে নিম্নপদস্থ কর্মচারীদের একতরফাভাবে দায়ী করা হয়েছে। তাদের দাবি—একটি কারাগারের সার্বিক নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক তদারকির দায়িত্ব জেল সুপার ও জেলারদের ওপর বর্তায়। যদি বন্দীদের রাজনৈতিক স্লোগান দেওয়া প্রশাসনিক ব্যর্থতা হিসেবে বিবেচিত হয়, তাহলে সেই দায় শুধু কর্মচারীদের ওপর বর্তাতে পারে না।
সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—
একই ঘটনায় ৯ কর্মচারীর বদলি কার্যকর হলেও সংশ্লিষ্ট জেল সুপার ও জেলারদের বিরুদ্ধে কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি কেন? তারা কি সম্পূর্ণ দায়মুক্ত?

ভুক্তভোগীদের মতে, প্রশাসনিক কাঠামোয় দায়িত্বের একটি সুস্পষ্ট শৃঙ্খল রয়েছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের তদারকি ছাড়া কারাগারের অভ্যন্তরে কোনো ঘটনা দীর্ঘস্থায়ী বা অনিয়ন্ত্রিত হওয়ার সুযোগ থাকে না। তাই কেবল নিম্নপদস্থ কর্মচারীদের বদলি করে দায় নির্ধারণ করলে তা ন্যায়বিচারের প্রশ্নে বিতর্ক সৃষ্টি করে।

সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে, তদন্তের স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে হলে সকল পর্যায়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের ভূমিকা সমানভাবে খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। অন্যথায় এটি প্রশাসনের ভেতরে বৈষম্যমূলক বার্তা দেবে এবং কর্মচারীদের মনোবলে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

ভুক্তভোগীরা একটি উচ্চপর্যায়ের নিরপেক্ষ পুনঃতদন্তের দাবি জানিয়েছেন। তাদের বক্তব্য—
পদমর্যাদা নয়, দায় ও প্রমাণের ভিত্তিতেই হোক বিচার।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category