• বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:১৭ অপরাহ্ন
Headline
করিমগঞ্জে নকল ভূষি উৎপাদন, তিন প্রতিষ্ঠানকে ৭৩ হাজার টাকা জরিমানা যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয় পেলেন বাংলাদেশি মোংলায় বাংলাদেশ-চীন অর্থনৈতিক ও অবকাঠামোগত সহযোগিতা বাড়াতে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর এক দিনের সরকারি সফরে মোংলায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পাইকগাছা পৌরসভায় পরিচ্ছন্নতা ক্যাম্পেইন, নির্দিষ্ট স্থানে ময়লা ফেলার আহ্বান শার্শার গোগা সীমান্ত এলাকা থেকে বিজিবি’র অভিযানে-৪৮৬ বোতল ভারতীয় নেশা জাতীয় সিরাপ উদ্ধার কিশোরগঞ্জে ট্রাফিক সচেতনতা, কিশোরগ্যাং, বাল্যবিবাহ ও ইভটিজিং প্রতিরোধে পুলিশের সচেতনতামূলক অনুষ্ঠান সীমান্তে শান্তি-শৃংখলা ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় দুই দেশের বিজিবি-বিএসএফের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বৈঠক পাইকগাছায় মরহুম শামসুর রহমানের স্মরণে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত জাতীয় যুব দিবস উপলক্ষে করিমগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের চারাগাছ বিতরণ ও রোপণ

ঢাকার কদমতলীতে প্রকাশ্যে মাদক বিক্রির অভিযোগ, আতঙ্কে এলাকাবাসী

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৩১৬ Time View
Update : রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজধানীর কদমতলী থানা এলাকার জুরাইন রেললাইন সংলগ্ন মদিনা মসজিদের মধ্যবর্তী এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে প্রকাশ্যে মাদক বেচাকেনার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, টিটু ও জুলহাস নামের দুই ব্যক্তির ছত্রছায়ায় রুবেল নামের এক ব্যক্তি হিরোইন, ইয়াবা ও গাঁজা বিক্রি করে আসছেন।

অনুসন্ধানে জানা যায়, রুবেল একা নয়—তার সঙ্গে অসংখ্য নারী ও পুরুষের একটি সংঘবদ্ধ চক্র এই মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। তারা পালাক্রমে এবং দলবদ্ধভাবে এলাকায় মাদক সরবরাহ ও বিক্রি করে থাকে, যার ফলে পুরো এলাকাটি কার্যত একটি মাদক স্পটে পরিণত হয়েছে।

এ বিষয়ে চ্যানেল আর-এর সাংবাদিক সরেজমিনে গিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে মাদক বেচাকেনার একাধিক তথ্য-প্রমাণের সত্যতা পান। স্থানীয়দের বক্তব্য, নিয়মিতভাবেই সেখানে প্রকাশ্যে লেনদেন হয় এবং বহিরাগত মাদকসেবীদের আনাগোনা চোখে পড়ার মতো।

এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, জুরাইন রেললাইন এলাকা দিন-রাত প্রায় সবসময়ই মাদকসেবী ও বিক্রেতাদের আনাগোনা থাকে। এতে করে এলাকার পরিবেশ দিন দিন অবনতি ঘটছে এবং সাধারণ মানুষ বিশেষ করে নারী ও শিশুদের চলাচল অনিরাপদ হয়ে পড়েছে।

স্থানীয় এক বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন,
“প্রতিদিন দুপুরের পর থেকে এখানে মাদকের আসর বসে। রুবেল ও তার সহযোগীরা প্রকাশ্যে এসব বিক্রি করে, কিন্তু প্রভাবশালীদের কারণে কেউ তাদের বিরুদ্ধে কথা বলতে সাহস পায় না।”

আরেকজন ভুক্তভোগী অভিযোগ করেন,“টিটু ও জুলহাসের ছত্রছায়ায় রুবেল ও তার দল দীর্ঘদিন ধরে এই ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। আমরা প্রশাসনের কাছে বারবার অভিযোগ জানিয়েও স্থায়ী সমাধান পাচ্ছি না।”

এ বিষয়ে কদমতলী থানা-এর ওসি (তদন্ত) শাফায়েত হোসেন বলেন,“আমরা বিষয়টি সম্পর্কে অবগত আছি। ওই এলাকায় মাদক বিক্রির তথ্য আমাদের কাছে রয়েছে। ইতোমধ্যে আমরা একাধিকবার সেখানে অভিযান পরিচালনা করেছি এবং অনেককে গ্রেফতার করা হয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। কেউই আইনের ঊর্ধ্বে নয়—মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

এলাকার সচেতন মহল মনে করছেন, এভাবে প্রকাশ্যে মাদক বিক্রি চলতে থাকলে তরুণ সমাজ মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়বে। একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলার অবনতির আশঙ্কাও বাড়ছে।

এলাকাবাসীর দাবি, নিয়মিত অভিযান ও গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হলে দ্রুত এই মাদক চক্র নির্মূল করা সম্ভব। তারা সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন, যাতে করে এলাকায় স্বাভাবিক ও নিরাপদ পরিবেশ ফিরে আসে।
মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে প্রশাসনের পাশাপাশি প্রয়োজন সামাজিক প্রতিরোধ। সম্মিলিত উদ্যোগেই কদমতলীর এই ভয়াবহ মাদক সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব বলে মনে করছেন সচেতন মহল।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category