জামালপুর জেলা প্রতিনিধি: ‘চ্যালেন আর’ এ ভূয়া তান্ত্রিকের সংবাদ প্রকাশ হলেও প্রশাসন রয়েছে নিরব ভূমিকায়! প্রশ্ন তুলেছেন ‘চ্যানেল আর’ এর সর্বোচ্চ পাঠক ও মন্তব্যকারীগণ।
ভূয়া তান্ত্রিকদের নিয়ে সম্প্রতি চ্যানেল আরসহ বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে সংবাদ প্রচার করা হলেও প্রশাসনের নিরব ভূমিকা সাধারণ জনগনের মাঝে প্রশ্ন তুলেছে। সংবাদ প্রচারের পর থেকে জামালপুর সদর উপজেলাসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষ যারা সামাজিক যোগযোগ মাধ্যম ফেসবুকে সংবাদের মন্তব্যের মাধ্যমে তাদের সত্য নিষ্ঠতার ও সাহসীকতায় মন্তব্য প্রকাশ করেছেন। এই জায়গায় প্রশাসন নিরব কেন? প্রশ্ন উঠেছে, মন্তব্যকারীরা ভূয়া তান্ত্রিক ও কবিরাজদের প্রতারণা বন্ধে প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেও কোন সাড়া মেলেনি। মন্তব্য ব্যক্তিগণ বলেন, ভূয়া তান্ত্রিক প্রতারক চক্রের হাত থেকে দেশ ও বিদেশে থাকা বাংলা ভাষাভাসি মানুষদের রক্ষা করতে এবং প্রতারকদের যাথাযথ শাস্তি নিশ্চিত করতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। প্রশাসন যাতে আইন প্রয়োগ করে তাদের দ্রুত গ্রেফতার করেন সেই আবেদনও জানিয়েছেন।
অথচ দেখা যাচ্ছে সংবাদ প্রকাশের পরও প্রশাসন নিরব ভূমিকায় রয়েছে। ফলে সাধারণ ও ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিরা প্রশাসনের এই নিরব ভূমিকা সন্দেহ’র চোখে দেখছেন। তারা আরও বলেন, প্রশাসনের কিছু অসাধু ব্যক্তিবর্গ এই ভূয়া তান্ত্রিক ও কবিরাজদের কাছ থেকে অনৈতিক সুবিধা গ্রহণ করে থাকেন। তাই তারা ভূয়া তান্ত্রিক ও কবিরাজদের কিছু বলেন না এবং তাদের আইনের আওতায় এনে শাস্তির ব্যবস্থা করা হয় না।
সাধারণ মানুষের কথাই যদি সত্য হয় তাহলে বলা যেতে পারে আমাদের দেশে কি আইন ও সুশাসনের কোন ঘাটতি রয়েছে। প্রশাসন কি অন্যায় কারিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণে স্বক্ষমতা হারিয়ে ফেলেছে। অন্যায়কারিরা কি নির্ভয়ে অন্যায় চালিয়ে যাবে। মানুষকি অন্যায় কারিদের হাতে জিম্মি। সাধারণ মানুষ যেখানে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে সেখানে প্রশাসনের নিরব ভূমিকা কি কোন বার্তা বহন করছে। এমন প্রশ্ন এখন সমাজের সচেতন মহলের প্রতিটি মানুষের। প্রশাসন যদি অন্যায়কারিদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইন প্রয়োগ করতে ব্যর্থ হয় তাহলে সমাজে আরও ব্যাপকভাবে অন্যায় ও অনিয়ম বৃদ্ধি পাবে।
সমাজে অপকর্ম মাদক ব্যবসা, মাদক সেবনসহ অন্যায়ের ছড়াছড়ি ব্যাপক আকারে বৃদ্ধি পাবে। যাহা সচেতন মানুষের কাম্য নয়। তারা আরও বলেন, আমরা সাধারণ জনগণ সবসময় অন্যায়ের বিরুদ্ধে। প্রয়োজনে আমরা নিজেরাই এই ভূয়া তান্ত্রিকদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবো। প্রশাসন যদি কোন ব্যবস্থা গ্রহণ না করেন তাহলে আমরা কাউকে ছাড় দেবনা প্রয়োজনে আন্দোলন সংগ্রাম গড়ে তুলবো। আমরা প্রত্যাশা করি প্রশাসনের উদ্ধতন কর্মকর্তাগণ তাদের দায়িত্ব ও দেশের প্রতি ভালোবাসা এবং সততা প্রমানে ভূয়া তান্ত্রিক ও মাদককারবারীদের দ্রুত সময়ে গ্রেফতার করে যথাযথ শাস্তি নিশ্চিত করবে।চান্দ্রাপাড়া বাজার এলাকা ও চরযথার্থপুর উজানপাড়া, ভাটিপাড়া, মোল্লাপাড়া এলাকায় অপকর্ম বন্ধ হবে তো দূরের কথা ভূয়া তান্ত্রিক ও মাদক’র ছড়াছড়ি এখনো চলামান থাকায় সংবাদ প্রচারের পর প্রশ্ন তুলেছেন সচেতন মহল।

মন্তব্যকারীদের মতামত তুলে ধরা হলোঃ-
মোঃ একরামুল মতামতে বলেন, এগুলা ভুয়া কবিরাজ এদেরকে আইনের আধিনে আনা দরকার, আমাদের এলাকায় এগুলি করে লক্ষ লক্ষ কোটি কোটি টাকার মালিক হয়েছে। অনন্ত স্বয়ন চৌধুরী বলেন, এ গুলো ভুয়া দান্দা কবিরাজ সেজে , আমার এলাকা ও এমন কয়েক টা ভন্ড লোক আছে মানুষের কাছ থেকে অনেক টাকা নিচ্ছে। মোঃ জহিরুল ইসলাম বলেন, সবাইকে আটক করা হোক। মোঃ আসাদুল ইসলাম নূর বলেন, আইনের আওতায় আনা হোক। মোঃ মোস্তাকিন ইসলাম বলেন, এদের সবাইকে আইনের আওতায় আনা উচিত এবং কঠিন শাস্তির ব্যবস্থা করা দরকার। মোঃ রবিউল হাসান রাজন বলেন, এই সব করেই এখন সংসার চালাচ্ছে, লক্ষীরচর ইউনিয়নের মানুষ। মোছাঃ মার্জিয়া মায়সা বলেন, আমার বাড়ি চান্দপাড়া, কথা গুলো সত্য জারা ভাত পায়নি তারা এখন লাখ টাকার মালিক, সবাই এই কাজ করে। মোঃ মাহমুদুল হাসান বলেন, আমার মতে এই এলাকা গুলাই সেনাবাহিনীর মাধ্যমে তদন্ত করে সকলকেই ১০ বছরের শাস্তি দেওয়া হোক।
আমি বড় একা মোঃ হাসিফুল বলেন, প্রশাসনের লুক এদের থেকে টাকা খেয়ে কিচ্ছু বলে না, আরো ভালো ভাবে চালিয়ে যেতে পারে এদের কাজ খুবই দুঃখ জনক কাজ এইগুলা, মোঃ মাহফজুর রহমান বলেন, এরা অবৈধ সম্পদের পাহাড় গড়ে তুলছে। তরুণ প্রজন্ম অবৈধ আয় পেয়ে নেশায় আসক্ত হচ্ছে।
জরি আক্তার বলেন, চান্দাপাড়া, উজান পাড়া, ভাটিপাড়া মিলে আনুমানিক ৫০+ ভূয়া তান্ত্রিক রয়েছে, যারা সাধারণ মানুষের বিভিন্ন সমস্যাকে হাত করে টাকা আত্মসাৎ করে নিচ্ছে, একটা ধরে রিমান্ডে নিলে বাকিগুলোর নাম এমনি বের হয়ে আসবে, এদের সবারই সবার সাথে যোগাযোগ হয়, একজন আরেকজনকে এইসব ভিডিও বানানো শিখায়, এসকে কাওছার আহম্মেদ বলেন, আগামী প্রজন্ম নষ্ট হয়ে যাবে এদের দেখে। পড়ালেখা ছেড়ে দিয়ে ভুয়া তান্ত্রিক এবং কবিরাজি করে। এই এলাকায় এখন সকল শ্রেনির মানুষ এগুলা করে। এখন পেশা হিসেবে নিছে। এদের আইনের আওতায় আনা হক,, এরা আল্লাহ মানে না, মুসলিম না কি তাও জানি না, আবার নামাজ ঠিকোই পরে এদের বাবা বুজি না কি এরা, আর এম রাজন খান বলেন, শালারা আমাদের ভাটিপাড়ার মানসম্মান শেষ করে দিলো এদের কে পুলিশে দরাই দেয়া হক এলাকার সবার মিলে।
আব্দুল্লাহ জেপি বলেন, যারা কয়েকদিন আগেও শুকনো মরিচ ডলে ভাত খায়লো তারাই এখন লাখপতি। চোখে দেখে লজ্জায় মরে যাওয়ার অবস্থা। মানুষ বলে পড়ালেখা করে চাকুরী করে কিছুই করতে পারলে না অমুকের পোলা বকলম তান্ত্রিক করে মাসে কতো টাকা ইনকাম করে? রিপোর্টকারী চ্যানেল কে ধন্যবাদ এবং উলেখিত এলাকাসহ যারাই এ কাজে লিপ্ত হয়েছে সবাইকে আইনের আওতায় আনতে হবে। ডিসি জামালপুর, ডিবি জামালপুর, পুলিশ সুপার জামালপুর।
মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, টাকার কাছে এখন পুলিশ মামা আর আগে পুলিশ জানে টাকা খেয়ে পুলিশ চলে জাই,
জোবায়ের আল হাসান বলেন, আশেপাশে অভাব নাই, খুব দ্রুত এদেরকে আইনের আওয়াতাই আনা হোক। ভূঁয়া তান্ত্রিক দিয়ে পুরা এলাকা গুলা ছেয়ে গেছে। যে লোকে ভাত পায়না, এখন সে লোকেও ৫ লাখ টাকার বাইক ক্রয় করে, বাইক দিয়া ঘুরে।
মেহেরিন চৌধুরী বলেন, আমি তিন নং লক্ষীরচরের বাইরে থাকি না। এখানে যারা কমেন্ট করেছে এদের মধ্যে ৯৯% মানুষ নিজেরাই তান্ত্রিক।
সাদ্দাম হোসেন বলেন, সালা প্রতারক আমার তনে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা খাইছে এক ছেরিরে বশ করার চেয়েছিলাম আমার কাছে শালা আমার কাজটা করে দিতে পারে নাই এই ভিডিও থেকে নাম্বার নিয়েছিলাম ইমো নাম্বারে যোগাযোগ করিয়া। স্বপন আহম্মেদ বলেন, জামালপুর শেরপুর এর প্রাসাশন এদের টাকায় চলে। ইতিপূর্বে প্রচারিত সংবাদ প্রচারনার পরেও কোন ভূয়া তান্ত্রিক ও মাদককারবারীর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেয়নি প্রশাসন, মন্তব্য কারীরা নিশ্চিত করেছেন।
ভূয়া তান্ত্রিক ও মাদককারবারী রিপোর্ট চ্যানেল আরসহ বিভিন্ন চ্যালেন ও সামাজিক গণমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার পর ভূয়া তান্ত্রিক ও মাদক কারবারী এবং তান্ত্রিক আইডি বিক্রিয়কারী মৃত: কুদ্দুছ সরকার’র ছেলে মোঃ রাজু সরকার ও তার সহোদর বড় ভাই মোঃ আনোয়ার হোসেন সরকার ওরফে আনু, চ্যানেল আর জামালপুর জেলা প্রতিনিধি, দৈনিক আলোচিত জামালপুর পত্রিকার বিশেষ প্রতিনিধি ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা (আসফ) এর সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক আ.ন.ম. লুৎফুর রহমান ও দৈনিক আলোচিত জামালপুর পত্রিকার ক্রাইম রিপোর্টার মোঃ খলিলুর রহমানকে দিবা লোকে অকথ্য ভাষায় গালাগালিসহ ফের প্রাণনাশের হুমকি দেন। এদের এহেন পরিস্থিতি যাহা পর্যায়ক্রমে প্রশাসনসহ পাঠকের জ্ঞাতার্থে জানানো হবে।
বিষেশ দ্রষ্টব্য: ভূয়া তান্ত্রিক ও মাদককারবারীর সংবাদ চ্যালেন আর এ চলমান থাকবে, সকলকে সহযোগিতা করার জন্য অভিন্দন ও শুভেচ্ছা।