• বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:২৭ অপরাহ্ন
Headline
করিমগঞ্জে নকল ভূষি উৎপাদন, তিন প্রতিষ্ঠানকে ৭৩ হাজার টাকা জরিমানা যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয় পেলেন বাংলাদেশি মোংলায় বাংলাদেশ-চীন অর্থনৈতিক ও অবকাঠামোগত সহযোগিতা বাড়াতে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর এক দিনের সরকারি সফরে মোংলায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পাইকগাছা পৌরসভায় পরিচ্ছন্নতা ক্যাম্পেইন, নির্দিষ্ট স্থানে ময়লা ফেলার আহ্বান শার্শার গোগা সীমান্ত এলাকা থেকে বিজিবি’র অভিযানে-৪৮৬ বোতল ভারতীয় নেশা জাতীয় সিরাপ উদ্ধার কিশোরগঞ্জে ট্রাফিক সচেতনতা, কিশোরগ্যাং, বাল্যবিবাহ ও ইভটিজিং প্রতিরোধে পুলিশের সচেতনতামূলক অনুষ্ঠান সীমান্তে শান্তি-শৃংখলা ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় দুই দেশের বিজিবি-বিএসএফের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বৈঠক পাইকগাছায় মরহুম শামসুর রহমানের স্মরণে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত জাতীয় যুব দিবস উপলক্ষে করিমগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের চারাগাছ বিতরণ ও রোপণ

দুর্যোগে কার্যকর আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণে জোর দিচ্ছে সরকার — উপদেষ্টা ফারুক ই আজম

শেখ শাহরিয়ার খুলনা প্রতিনিধি / ১৮২ Time View
Update : শুক্রবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৫

শেখ শাহরিয়ার (খুলনা):মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফারুক ই আজম, বীর প্রতীক বলেছেন, দুর্যোগকালে জনদুর্ভোগ লাঘবে সরকার কার্যকর আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণে জোর দিচ্ছে।

তিনি বলেন, অতীতে অনেক ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র নিচু ও বন্যাপ্রবণ এলাকায় নির্মিত হয়েছিল, যা দুর্যোগের সময় আশ্রয়ের উপযোগী ছিল না। স্থানীয় জনগণের আপত্তি উপেক্ষা করে এবং রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে এসব স্থানে কেন্দ্রগুলো নির্মিত হয়।

“সত্যিকার দুর্যোগের সময় সেই আশ্রয়কেন্দ্রগুলো কোনো কাজে আসে না। জনগণের সুবিধা হয় এমন উঁচু ও নিরাপদ স্থানে আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ করতে হবে,” — বলেন উপদেষ্টা ফারুক ই আজম।

শুক্রবার (১০ অক্টোবর) সকালে খুলনা জেলার ডুমুরিয়া উপজেলার শরাফপুর ও চটচটিয়া শিবনগর খেয়াঘাট এলাকায় নির্মাণাধীন আশ্রয়কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

গণমাধ্যমকর্মীদের এক প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা জানান,“যেসব স্থানে সঠিকভাবে স্থান নির্ধারণ হয়নি, সেসব দুর্যোগ আশ্রয়কেন্দ্রের নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দেওয়া হবে। নির্মাণাধীন কেন্দ্রগুলোর মধ্যে যেগুলোর উপযোগিতা নেই, সেগুলো যাচাই করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে তিনতলা বিশিষ্ট আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ করা হচ্ছে— দুর্যোগকালে দ্বিতীয় তলায় নারী-শিশু এবং তৃতীয় তলায় পুরুষরা আশ্রয় নিতে পারবেন।

ফারুক ই আজম বলেন,“সরকার জনগণের দুর্ভোগ লাঘবের জন্য অর্থ ব্যয় করছে। দুর্যোগের সময় এই আশ্রয়কেন্দ্রগুলো ব্যবহৃত হবে, আর অন্য সময় জনস্বার্থে ব্যবহার করা যাবে।”

তিনি ২০২৫ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে চলমান আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ কাজ শেষ করার নির্দেশ দেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের।

এসময় উপস্থিত ছিলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মোস্তাফিজুর রহমান, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদফতরের মহাপরিচালক রেজওয়ানুর রহমান, খুলনার জেলা প্রশাসক মো. তৌফিকুর রহমান, সংশ্লিষ্ট উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা, জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category