করিমগঞ্জ প্রতিনিধি: কিশোরগঞ্জ জেলার করিমগঞ্জ উপজেলার নোয়াবাদ ইউনিয়নের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ব্যাপক গণসংযোগ ও উঠান বৈঠক করেছেন কিশোরগঞ্জ–৩ (করিমগঞ্জ–তাড়াইল) আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী, সাবেক সফল শিক্ষামন্ত্রী ড. এম ওসমান ফারুক।
৬ ফেব্রুয়ারি, শুক্রবার দিনব্যাপী এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে তিনি ভূইয়া বাজার, কয়েদী মোড়, ঝাউতলা বাজার ও দরগা ভিটা বাজারে সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময় করেন।
গণসংযোগকালে ড. এম ওসমান ফারুক ব্যবসায়ী, শ্রমজীবী মানুষ, কৃষক, যুব সমাজ ও বয়োজ্যেষ্ঠদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং তাদের সুখ-দুঃখ, সমস্যা ও প্রত্যাশার কথা মনোযোগসহকারে শোনেন। তার সহজ-সরল ব্যবহার, বিনয়ী মনোভাব এবং আন্তরিকতা স্থানীয় জনগণের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলে।
এ সময় তিনি বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনা এবং একটি জবাবদিহিমূলক সরকার প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন। ড. এম ওসমান ফারুক বলেন,
“দেশ আজ গভীর সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। মানুষের ভোটের অধিকার হরণ করা হয়েছিল, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে সাধারণ মানুষ দিশেহারা। বিএনপি ক্ষমতায় এলে জনগণের মৌলিক অধিকার ফিরিয়ে দেওয়া হবে এবং করিমগঞ্জ–তাড়াইলকে একটি উন্নত, পরিকল্পিত ও জনবান্ধব এলাকায় রূপান্তর করা হবে।”
তিনি আরও বলেন, করিমগঞ্জ উপজেলার রাস্তাঘাট, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, স্বাস্থ্যসেবা ও কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে ব্যাপক উন্নয়ন প্রয়োজন। নির্বাচিত হলে তিনি এলাকার হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোর মান উন্নয়ন, যুব সমাজের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং কৃষকদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে কার্যকর ভূমিকা রাখবেন।
গণসংযোগ ও উঠান বৈঠকে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন কিশোরগঞ্জ–৩ আসনের বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ড. এম ওসমান ফারুকের পাশাপাশি কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি এডভোকেট জাহাঙ্গীর আলম মোল্লা, সাবেক সহ-সভাপতি এডভোকেট জালাল মোহাম্মদ গাউস, জেলা বিএনপির সাবেক যুব বিষয়ক সম্পাদক ভিপি সুমন, করিমগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি আজিজুল ইসলাম দুলাল, সাধারণ সম্পাদক দুলাল শিকদার, করিমগঞ্জ উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব শিহাব উদ্দিন হানিফ, করিমগঞ্জ উপজেলা কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম বকুল, করিমগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট শফিউজ্জামান শফিসহ বিএনপি ও এর সহযোগী অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
বক্তারা বলেন, ড. এম ওসমান ফারুক একজন শিক্ষিত, সৎ, অভিজ্ঞ ও জনবান্ধব নেতা। সাবেক শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে তার সফলতা, রাজনৈতিক দূরদর্শিতা এবং এলাকার মানুষের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক তাকে এই আসনের জন্য একজন যোগ্য ও গ্রহণযোগ্য প্রার্থী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
স্থানীয় বাসিন্দারাও তাদের বিভিন্ন সমস্যা ও প্রত্যাশার কথা তুলে ধরেন এবং আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনে ড. এম ওসমান ফারুককে ধানের শীষ মার্কায় সমর্থন ও ভোট দেওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন। গণসংযোগ কর্মসূচিকে ঘিরে নোয়াবাদ ইউনিয়নজুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয় এবং সর্বত্রই বিপুল সংখ্যক মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।