নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ উপজেলার তেঘরিয়া ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডে আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে মেম্বার পদে প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় উঠে এসেছেন বাঘৈর ঋষিপাড়ার কৃতী সন্তান ও তেঘরিয়া ইউনিয়ন ৮নং ওয়ার্ডের সাবেক যুবদলের সভাপতি দিলীপ দাস। ইতোমধ্যে তিনি ব্যাপক গণসংযোগ ও প্রচারণার মাধ্যমে ভোটারদের দোরগোড়ায় পৌঁছে যাচ্ছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতি ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার কারণে দিলীপ দাস এলাকায় একজন পরিচিত ও গ্রহণযোগ্য ব্যক্তি। তেঘরিয়া ইউনিয়ন ৮নং ওয়ার্ডের সাবেক যুবদলের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি দলীয় ও সামাজিক বিভিন্ন কার্যক্রমে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। পাশাপাশি বাঘৈর ঋষিপাড়ার সন্তান হিসেবে তিনি সবসময় এলাকার মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থেকেছেন এবং অসহায় মানুষের সহায়তায় এগিয়ে এসেছেন।
প্রার্থী দিলীপ দাস বলেন,“আমি নির্বাচিত হলে ৮নং ওয়ার্ডকে একটি মডেল ওয়ার্ড হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করবো। সড়ক-ঘাট উন্নয়ন, মাদকমুক্ত সমাজ গঠন, বেকার যুবকদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং সবার জন্য সমান সেবা নিশ্চিত করাই হবে আমার প্রধান লক্ষ্য।”
তিনি আরও বলেন,“আমি কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর নয়, পুরো ওয়ার্ডবাসীর প্রতিনিধি হতে চাই। আপনাদের ভোট ও সহযোগিতা পেলে আমি আপনাদের প্রত্যাশা পূরণে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো।”
৮নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা গণেশ চন্দ্র বর্মন বলেন, “দিলীপ দাস আমাদের এলাকারই সন্তান। তিনি সব সময় মানুষের পাশে থাকেন। তাই আমরা তাকে আমাদের প্রতিনিধি হিসেবে দেখতে চাই।”
স্থানীয় ব্যবসায়ী শফিক মিয়া বলেন, “তিনি সৎ ও পরিশ্রমী একজন মানুষ। তেঘরিয়া ইউনিয়ন ৮নং ওয়ার্ডের সাবেক যুবদলের সভাপতি হিসেবে তার অভিজ্ঞতা এলাকার উন্নয়নে কাজে লাগবে।”
গৃহিণী লিপি রানী বলেন, “দিলীপ দাস গরিব-দুঃখী মানুষের পাশে দাঁড়ান। আমরা নারীরাও তার কাছে নিজেদের কথা বলতে পারি। তাই আমরা তাকে সমর্থন দিচ্ছি।”
তরুণ ভোটার রাজিব হোসেন বলেন, “যুবকদের জন্য কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি। আমরা আশা করি তিনি নির্বাচিত হলে আমাদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করবেন।”
এদিকে, স্থানীয় ভোটারদের অনেকেই মনে করছেন, তেঘরিয়া ইউনিয়ন ৮নং ওয়ার্ডের সাবেক যুবদলের সভাপতি ও বাঘৈর ঋষিপাড়ার সন্তান হিসেবে অভিজ্ঞ এই প্রার্থী নির্বাচিত হলে এলাকায় উন্নয়নের গতি আরও ত্বরান্বিত হবে।
আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরে তেঘরিয়া ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডে ইতোমধ্যে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। এখন দেখার বিষয়, ভোটারদের রায়ে শেষ পর্যন্ত কে পাচ্ছেন বিজয়ের হাসি।