• বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ১০:০০ অপরাহ্ন
Headline
করিমগঞ্জে নকল ভূষি উৎপাদন, তিন প্রতিষ্ঠানকে ৭৩ হাজার টাকা জরিমানা যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয় পেলেন বাংলাদেশি মোংলায় বাংলাদেশ-চীন অর্থনৈতিক ও অবকাঠামোগত সহযোগিতা বাড়াতে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর এক দিনের সরকারি সফরে মোংলায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পাইকগাছা পৌরসভায় পরিচ্ছন্নতা ক্যাম্পেইন, নির্দিষ্ট স্থানে ময়লা ফেলার আহ্বান শার্শার গোগা সীমান্ত এলাকা থেকে বিজিবি’র অভিযানে-৪৮৬ বোতল ভারতীয় নেশা জাতীয় সিরাপ উদ্ধার কিশোরগঞ্জে ট্রাফিক সচেতনতা, কিশোরগ্যাং, বাল্যবিবাহ ও ইভটিজিং প্রতিরোধে পুলিশের সচেতনতামূলক অনুষ্ঠান সীমান্তে শান্তি-শৃংখলা ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় দুই দেশের বিজিবি-বিএসএফের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বৈঠক পাইকগাছায় মরহুম শামসুর রহমানের স্মরণে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত জাতীয় যুব দিবস উপলক্ষে করিমগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের চারাগাছ বিতরণ ও রোপণ

মহিলা কারারক্ষী জেসমিন আক্তারের বিরুদ্ধে তদন্ত: অভিযোগকারীর প্রশ্ন—অভিযুক্তদের সঙ্গে এত কল কেন?

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৬৮৭ Time View
Update : শুক্রবার, ৩১ জুলাই, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক | গাজীপুর | ৩১ জুলাই ২০২৬
মহিলা কারারক্ষী নং-২২২২৭ জেসমিন আক্তারের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং অভিযোগ তদন্তে দুই সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে ঢাকা বিভাগীয় কারা উপ-মহাপরিদর্শকের কার্যালয়।
২৩ জুলাই ২০২৬ তারিখে জারি করা এক অফিস আদেশে জানানো হয়, কারা অধিদপ্তরের ১৬ জুলাই ২০২৬ তারিখের পত্রের আলোকে অভিযোগের বিষয়টি তদন্তের জন্য এ কমিটি গঠন করা হয়েছে।

অফিস আদেশ অনুযায়ী, অতিরিক্ত উপ-কারা মহাপরিদর্শক মোছা. নাহিদা পারভীনকে কমিটির সভাপতি এবং কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২ এর ডেপুটি জেলার মো. আব্দুল্লাহ আল আমিনকে সদস্য সচিব করা হয়েছে।

কমিটিকে ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন, দায়ী ব্যক্তি বা ব্যক্তিদের শনাক্তকরণ, দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে করণীয় নির্ধারণ করে আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে একটি পূর্ণাঙ্গ তদন্ত প্রতিবেদন সংশ্লিষ্ট দপ্তরে দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এদিকে, অভিযোগকারী মো. রবিউল আওয়াল দাবি করেছেন, তার অভিযোগে যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে—ডিআইজি প্রিজন মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম, জেলার জাহিদুল আলম এবং ড্রাইভার কামাল—তাদের সঙ্গে মহিলা কারারক্ষী জেসমিন আক্তারের ঘনিষ্ঠ ও নিয়মিত যোগাযোগের প্রমাণ হিসেবে বিপুল সংখ্যক মোবাইল কল রেকর্ড তার কাছে রয়েছে।

অভিযোগকারীর ভাষ্য, “যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে, তাদের সঙ্গেই যদি নিয়মিত ও ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ থেকে থাকে, তাহলে সেই যোগাযোগের প্রকৃত কারণ কী? কী কারণে তাদের মধ্যে এতবার ফোনালাপ হয়েছে? তদন্ত কমিটির উচিত এসব কল রেকর্ড, কল ডিটেইলস ও সংশ্লিষ্ট তথ্য-উপাত্ত গভীরভাবে পর্যালোচনা করে প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটন করা।”
তিনি আরও দাবি করেন, তদন্ত যেন সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ ও প্রভাবমুক্তভাবে পরিচালিত হয় এবং প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্টদের মোবাইল কল রেকর্ড, ডিজিটাল তথ্য-প্রমাণ ও অন্যান্য আলামত বিশ্লেষণ করে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন করা হয়। তার মতে, এতে সত্য উদঘাটিত হবে এবং তদন্তের গ্রহণযোগ্যতা আরও বৃদ্ধি পাবে।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পর কারা কর্তৃপক্ষের পরবর্তী সিদ্ধান্ত জানা যাবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category