কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি: কিশোরগঞ্জ-৩ (করিমগঞ্জ–তাড়াইল) আসনে বিএনপি’র মনোনয়নকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। দলটির প্রাথমিক মনোনীত প্রার্থী হিসেবে ড. এম ওসমান ফারুকের নাম থাকলেও মঙ্গলবার অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর আলম মোল্লা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছ থেকে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করায় নানা প্রশ্ন ও কৌতূহল দেখা দিয়েছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করা যেক্কোনো নাগরিকের আইনগত অধিকার এবং এটি দলীয় মনোনয়ন পরিবর্তনের চূড়ান্ত প্রমাণ নয়। তবে এ ঘটনাকে বিএনপি’র ভেতরে এই আসনটি নিয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো হয়নি—এমন ইঙ্গিত হিসেবেও দেখছেন অনেকে।
দলীয় সূত্র জানায়, প্রাথমিক তালিকায় ড. এম ওসমান ফারুক বিএনপি’র মনোনীত প্রার্থী হিসেবে থাকলেও স্থানীয় পর্যায়ে একাধিক নেতা প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করছেন। এরই ধারাবাহিকতায় অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর আলম মোল্লা মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন বলে জানা গেছে।
এ বিষয়ে বিএনপি’র কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে মনোনয়ন পরিবর্তন সংক্রান্ত কোনো ঘোষণা আসেনি। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মনোনয়নপত্র জমা ও প্রত্যাহারের সময়সীমা শেষ না হওয়া পর্যন্ত চূড়ান্তভাবে কে প্রার্থী হচ্ছেন—তা নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়।
এদিকে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে বিএনপি’র প্রাথমিক মনোনীত প্রার্থী ড. এম ওসমান ফারুক বলেন,
“আমি নির্বাচন করবো না—এমন কথা সঠিক নয়। দল আমাকে মনোনীত করেছে। শেষ পর্যন্ত আমি দলের সিদ্ধান্তের সঙ্গেই অটল থাকবো।”
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের ধারণা, শেষ পর্যন্ত বিএনপি’র কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী একজনকেই কিশোরগঞ্জ-৩ আসনের চূড়ান্ত প্রার্থী ঘোষণা করা হবে এবং তখনই এই আসনের প্রকৃত চিত্র স্পষ্ট হবে।