• বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:০২ অপরাহ্ন
Headline
করিমগঞ্জে নকল ভূষি উৎপাদন, তিন প্রতিষ্ঠানকে ৭৩ হাজার টাকা জরিমানা যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয় পেলেন বাংলাদেশি মোংলায় বাংলাদেশ-চীন অর্থনৈতিক ও অবকাঠামোগত সহযোগিতা বাড়াতে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর এক দিনের সরকারি সফরে মোংলায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পাইকগাছা পৌরসভায় পরিচ্ছন্নতা ক্যাম্পেইন, নির্দিষ্ট স্থানে ময়লা ফেলার আহ্বান শার্শার গোগা সীমান্ত এলাকা থেকে বিজিবি’র অভিযানে-৪৮৬ বোতল ভারতীয় নেশা জাতীয় সিরাপ উদ্ধার কিশোরগঞ্জে ট্রাফিক সচেতনতা, কিশোরগ্যাং, বাল্যবিবাহ ও ইভটিজিং প্রতিরোধে পুলিশের সচেতনতামূলক অনুষ্ঠান সীমান্তে শান্তি-শৃংখলা ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় দুই দেশের বিজিবি-বিএসএফের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বৈঠক পাইকগাছায় মরহুম শামসুর রহমানের স্মরণে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত জাতীয় যুব দিবস উপলক্ষে করিমগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের চারাগাছ বিতরণ ও রোপণ

এক আপসহীন সংগ্রামীর বিদায় — দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অকাল প্রয়াণে জাতি শোকাহত

নিউজ ডেস্ক / ২০০ Time View
Update : বুধবার, ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫

নিউজ ডেক্স: বাংলাদেশ আজ এক গভীর শোকের ভার বহন করছে। গণতন্ত্র, জাতীয়তাবাদ ও জনগণের ভোটাধিকার রক্ষার অবিচল সৈনিক, তিনবারের নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রয়াণে একটি যুগের অবসান ঘটেছে। তাঁর অকাল বিদায় শুধু একটি রাজনৈতিক দলের ক্ষতি নয়—এটি পুরো জাতির জন্য এক অপূরণীয় শূন্যতা।

স্বাধীনতা-পরবর্তী বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন সাহস, দৃঢ়তা ও প্রতিরোধের এক অনন্য নাম। স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রাম—প্রতিটি সংকটময় মুহূর্তে তিনি ছিলেন সামনে থেকে নেতৃত্বদানকারী এক আপসহীন রাষ্ট্রনায়ক। ক্ষমতার মোহ নয়, জনগণের অধিকারই ছিল তাঁর রাজনীতির মূল দর্শন।

তিনবারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তিনি প্রমাণ করেছেন—রাষ্ট্র পরিচালনায় দৃঢ়তা ও মানবিকতা একসাথেই সম্ভব। তাঁর শাসনামলে বহুদলীয় গণতন্ত্রের ভিত মজবুত হয়, সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা বিস্তৃত হয় এবং বিচার বিভাগের স্বাতন্ত্র্য রক্ষায় তিনি ছিলেন অনড়। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার রাজনীতির বিপরীতে দাঁড়িয়ে তিনি প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিলেন ন্যায় ও ভারসাম্যের রাষ্ট্রব্যবস্থা।
অর্থনীতি, শিক্ষা ও সামাজিক উন্নয়নে তাঁর অবদান ইতিহাসে স্বীকৃত। নারী শিক্ষা বিস্তারে উপবৃত্তি কর্মসূচি, গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নয়ন, শিল্প ও বেসরকারি খাতের বিকাশ—সবকিছুতেই ছিল তাঁর দূরদর্শী রাষ্ট্রচিন্তার ছাপ। আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে তিনি বাংলাদেশকে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন একটি মর্যাদাশীল ও আত্মমর্যাদাসম্পন্ন রাষ্ট্র হিসেবে।

সবচেয়ে বেদনাদায়ক সত্য হলো—দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের শেষ অধ্যায়ে তিনি যে নির্যাতন, অবহেলা ও কষ্টের সম্মুখীন হয়েছেন, তা গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের ইতিহাসে এক নির্মম উদাহরণ। অসুস্থতা, কারাবরণ ও সীমাহীন প্রতিকূলতার মাঝেও তিনি কখনো আদর্শ থেকে সরে দাঁড়াননি। জনগণের ভোটাধিকার ও ন্যায়বিচারের প্রশ্নে তিনি শেষ পর্যন্ত ছিলেন আপসহীন।

আজ তিনি নেই, কিন্তু তাঁর আদর্শ রয়ে গেছে। তাঁর ত্যাগ, সংগ্রাম ও নেতৃত্ব কোটি মানুষের হৃদয়ে চিরজাগরুক থাকবে। ইতিহাস সাক্ষ্য দেবে—এই দেশ যখনই গণতন্ত্রের জন্য লড়েছে, তখনই দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নাম উচ্চারিত হয়েছে সাহস ও সম্মানের সাথে।
এদেশের মানুষ চিরকাল আপনাকে মনে রাখবে, দেশনেত্রী।
আপনি ছিলেন, আছেন এবং থাকবেন—গণতন্ত্রকামী মানুষের অনুপ্রেরণার বাতিঘর হয়ে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category