বাগেরহাট-৪ মোরেলগঞ্জ শরনখোলায় কতিপয় ব্যক্তি ও ফেক আইডি দিয়ে “তাতীদল থেকে বহিস্কৃত কাজী মনির” পোষ্ট দেখা যাচ্ছে দুদিন। এই বিষয় বিএনপি নেতা ও জাতীয়তাবাদী তাতীদল কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক -ড. কাজী মনিরুজ্জামান মনিরের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটা সম্পুর্ণ ভুয়া মিথ্যা গুজব প্রচার। এহনো অসত্য গুজবে আমি অবাক! আমি মনে করি আমাদের অভিভাবক বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মহোদয় তারেক রহমান সন্ত্রাসী চাঁদাবাজ দখলবাজ দালালের বিরুদ্ধে যুদ্ধা ঘোষনা করেছেন, আমিও সেই আদেশ নির্দেশ অনুযায়ী বাগেরহাট-৪ যুদ্ধ ঘোষনা করেছি বলে, এই চিটার দালাল প্রতারক দখলবাজ সন্ত্রাসী চাঁদাবাজরা ভুয়া মিথ্যা গুজব প্রচার করছে। এছাড়া জানেন ইতিমধ্যে বিএনপি নীতি নির্ধারনী ফোরাম স্পষ্ট করেছেন- বিএনপির এমপি নমিনেশনে ৩টি যোগ্যতা লাগবে, ১. ত্যাগ ও সংগ্রাম ২. সৎ ও সুনাম ও ৩. জনপ্রিয়তা। এই যোগ্যতা এলাকার জনগন বলছে ও মনে করে আমি ডক্টর কাজী মনিরুজ্জামান মনির এর মধ্যে আছে। আমি সংসদীয় আসনে মাতৃভাষা কলেজে ২য় তলা ভবন ও শহীদ মিনার, ৩টি মসজিদ, ২টি প্রাক প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ৯০ সাল থেকে দান অনুদান করে আসছি। আওয়ামী সময় মামলার ৮০ ভাগ আমি জামিন করিয়েছি, জেলখানায় ও বাড়ী বাড়ী খাবার পাঠিয়েছি। আন্দোলনে ক্ষতিগ্রস্তদের আর্থিক সহযোগিতা করিয়েছি। এই ১৭ বছর বাড়ী ঘর ব্যবসা ছাড়া। একাধিকবার ডিজিএফআই/ আয়না ঘরে নিয়েছে। গুলিতে পা ভেংগেছি, জেল রিমান্ড বারবার। বিএনপির সকল আন্দোলনে অগ্রভাগেই ছিলাম। দুর্দিনে কমপক্ষে ফ্যাসিস্ট বিরোধী ৩ হাজার বক্তব্য আছে। বাগেরহাট-৪ সংসদীয় আসন মোরেলগঞ্জ ও শরনখোলায় মহান আল্লাহ চাইলে আমিই ধানের শীষের মনোনয়ন পেতে পারি। আজও ১টি জাতীয় পর্যায়ে কর্মসুচিতে তাতীদলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক পদ মর্যাদায় প্রধান অতিথি ছিলাম। তাই এই মিথ্যাচার গুজব প্রচার।
আপনারা জানেন – আমি বিএনপির একটি অঙ্গ সংগঠনের কেন্দ্রীয় সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক, আমাকে বহিস্কার করতে চাইলে, মাননীয় ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মহোদয় তারেক রহমান করবেন। আমি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সাথে ১৯৭৯ সালে হ্যান্ডশেক করে বিএনপি ও ধানের শীষ পাগল। সেই থেকে এখন পর্যন্ত আমি কোন সময় কোন সংগঠন বিরোধী কর্মকাণ্ড করিনি এবং করবোও না ইনশাআল্লাহ ।