জামালপুর প্রতিনিধি: জামালপুর সদর আসনের সাবেক সাংসদ আবু কালাম আজাদের একান্ত সহকারী গেটপার দীপ্ত মোবাইল সার্ভিসের কর্ণধার মিজান। প্রকাশ্যে থাকলেও অলৌকিক শক্তির ছত্রছায়ায় ধরাছোঁয়ার বাইরে ভূমিখেকো মিজান। বিগত বছরের ৫ আগষ্টের পর স্থানীয় আওয়ামী লীগের অনেক নেতাকর্মীরা যখনও নাশকতা ও মামলা-হামলা ভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে, নিজেদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও ঘর বাড়ি ফেলে অন্য অন্যথায় চম্পট দিয়েছে। ঠিক সেই সময়, অনেকের মনে প্রশ্ন জেগেছে কোন অদৃশ্য শক্তির প্রভাবে এখনো দোকানে ব্যবসা বিদ্যমান। সাবেক এমপি আবুল কালাম আজাদের ব্যক্তিগত সহকারী ও সাবেক মেয়র ছানোয়ার হোসেন ছানুর বন্ধু ভূমি খেকো মিজান।
জানা যায়, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একান্ত মূখ্য সচিব ও সাবেক এমপি আবুল কালাম আজাদের ক্ষমতার দাপটে কালোকে সাদা করাই ছিল তার কাজ।
ফিল্মি স্টাইলে অসহায় মানুষের জমি দখলসহ এমপির অনৈতিক সকল কাজের হাতিয়ার হিসেবে কাজ করতেন মিজান। আরো যানা যায়, দলীয় প্রভাব খাটিয়ে গ্রাম থেকে সাধারণ জনগণ দীপ্ত মোবাইল মেরামত করতে আসলে, ঠিক হওয়ার পর দ্বিগুণ টাকা হাতিয়ে নিতো। সেই সাথে প্রভাব খাঁটিয়ে চুরাই মোবাইলের ক্রয়/বিক্রয়’র এখনো চলমান।
মিজান অদৃশ্য শক্তি প্রলোবনে এখনও ব্যাপক ক্ষমতাবান। প্রভাব খাঁটিয়ে অবৈধ সম্পদ অর্জনকারী অনেকে পালিয়ে গেলেও তিনি দাম্ভিকতার সাথে জামালপুর শহর চুষে বেড়াচ্ছে, আবারো নতুন কায়দায়, নিজেকে উপস্থাপনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
সূত্র আরো জানা যায়, তার অবৈধ জমিদখললসহ ব্যবসা চালু রাখতে মিউচুয়াল টেকনিক অবলম্বন করে, আবারো আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। সকল ধরাছোঁয়ার বাইরে তার অবস্থান। সাবেক এমপির সহকারী, এখনো কিভাবে জামালপুর শহরের জিগাতলা সামনে ব্যবসা পরিচালনা করে যাচ্ছে। এই নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে জনমনে। মূলত জনসাধারণের প্রশ্ন যেখানে সাবেক ফ্যাসিবাদ সরকার প্রধানসহ সকল শীর্ষ ও স্থানীয় নেতারা এলাকা ছেড়েছে। সেখানে সাবেক প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের পার্সেন্ট এমপির বুদ্ধি দাতা এখনো প্রকাশ্যে থাকে, কোন শক্তির বলে। তার খুটির জোর জানতে চেয়েছে জামারপুরের সচেতন ব্যক্তিবর্গ।