জামালপুর জেলার মেলান্দহ উপজেলার শ্যামপুর বাজারে পৌর বিএনপির সভাপতি মনোয়ার হোসেন হাওলাদার এর হুকুমে যুবদলনেতা সাহেব আলীর দোকান ভাংচুর ও লুটের ঘটনা ঘটেছে।
গতকাল শনিবার রাতে উপজেলার শ্যামপুর বাজারে এ ঘটনা ঘটে। যুবদলনেতা সাহেব আলী অভিযোগ করে বলেন, আমি ওয়ার্ড যুবদলের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হওয়ার কারণে গত ১৭ বছর আওয়ামী লীগের অত্যাচারে নারায়গঞ্জে পালিয়ে ছিলাম। ৫ আগষ্টের পর এসে শ্যামপুর বাজারে একটা ছোট্ট দোকান দেই। সেই দোকানের উপার্জন দিয়ে সংসার চলছিলো। দোকানে আমি আর আমার ছেলে দুজনেই থাকি। দোকান দেওয়ার পর থেকেই মেলান্দহ পৌর বিএনপির সভাপতি মনোয়ার হোসেন হাওলাদার ও তার সন্ত্রাসী বাহিনীরা আমাকে হুমকী দিয়ে আসছিলো।
শনিবার রাত ৯ টার দিকে ৪০ থেকে ৫০ জনের একদল সন্ত্রাসী আমার দোকানে এসে আমার ছেলেকে অকথ্য ভাষায় গালিগলাজ শুরু করেন। এসময় মনোয়ার হোসেন হাওলাদারের নির্দেশে দোকান ভাংচুর করার কথা বলতে থাকেন। এক পর্যায়ে দোকানটি সম্পূর্ণ ভাংচুর শেষে নগদ টাকা লুট ও আমার ছেলের গলায় থাকা একটি স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নিয়ে চলে যায়। আমি এখন নি:স্ব হয়ে গেছি।
তিনি আরও বলেন, পৌর বিএনপির সভাপতি মনোয়ার হাওয়ালদার ৫ আগষ্টের পর থেকেই এই এলাকায় নামে বেনামে অপকর্ম করে যাচ্ছে। একদল সন্ত্রাসী বাহিনী গড়ে তুলেছেন। তাদের দ্রুত সময়ের মধ্যে গ্রেপ্তারের দাবী জানান তিনি।
অভিযুক্ত মেলান্দহ পৌর বিএনপির সভাপতি মনোয়ার হোসেন হাওলাদার বলেন, আমি রাজনীতি করি। রাজনৈতিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার লক্ষ্যে এটি একটি গভীর ষড়যন্ত্র। এই ঘটোনার সাথে আমি জড়িত নই। খোঁজ নিয়ে দেখতে পারেন।