• শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ১২:২২ পূর্বাহ্ন
Headline
কুমুরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শামসুল হক ফরহাদের অবসর উপলক্ষে বিদায় ও সংবর্ধনা মোরেলগঞ্জে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস উদ্বোধনী অনুষ্ঠান প্রদর্শিত প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে করিমগঞ্জে শুরু নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস সিজন-২ করিমগঞ্জে নকল ভূষি উৎপাদন, তিন প্রতিষ্ঠানকে ৭৩ হাজার টাকা জরিমানা যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয় পেলেন বাংলাদেশি মোংলায় বাংলাদেশ-চীন অর্থনৈতিক ও অবকাঠামোগত সহযোগিতা বাড়াতে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর এক দিনের সরকারি সফরে মোংলায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পাইকগাছা পৌরসভায় পরিচ্ছন্নতা ক্যাম্পেইন, নির্দিষ্ট স্থানে ময়লা ফেলার আহ্বান শার্শার গোগা সীমান্ত এলাকা থেকে বিজিবি’র অভিযানে-৪৮৬ বোতল ভারতীয় নেশা জাতীয় সিরাপ উদ্ধার কিশোরগঞ্জে ট্রাফিক সচেতনতা, কিশোরগ্যাং, বাল্যবিবাহ ও ইভটিজিং প্রতিরোধে পুলিশের সচেতনতামূলক অনুষ্ঠান

খুলনার নিরালায় গুলি: পলাশ বাহিনীর অন্তর্দ্বন্দ্বে হামলার টার্গেট ছিল ‘জনি’

শেখ শাহরিয়ার খুলনা প্রতিনিধি / ১৫২ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৫

শেখ শাহরিয়ার (খুলনা):খুলনার নিরালা তালুকদার কমপ্লেক্সের সামনে সন্ত্রাসী হামলার মূল লক্ষ্য ছিল জনি নামের এক যুবক। তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে মঙ্গলবার রাতে সন্ত্রাসীরা এলোপাতাড়ি গুলি চালায়। এতে মনির ও হানিফ নামে দু’জন গুলিবিদ্ধ হন। পরে পুলিশ তিন যুবককে গ্রেপ্তার করে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, জনি খুলনার শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘পলাশ বাহিনী’র সক্রিয় সদস্য। তাকে না পেয়ে প্রতিপক্ষ সন্ত্রাসীরা নির্বিচারে গুলি চালায়। আহতদের মধ্যে মনির স্থানীয়ভাবে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত বলে জানা গেছে।

এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ওই রাতেই পুলিশ রূপসা উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের ভাড়াটিয়া গনি হাওলাদারের ছেলে সুমন হাওলাদার, আইচগাতি ইউনিয়নের সিদ্দিক ব্যাপারীর ছেলে শামীম এবং বারাকপুর মোড়ের শেখ শাহিনের ছেলে শেখ শাহারুখ আহমেদ শান্তকে গ্রেপ্তার করে।

পুলিশ জানায়, তাদের কাছ থেকে দুটি মোটরসাইকেল, দুটি তাজা গুলি ও একটি বিস্ফোরিত গুলির খোসা উদ্ধার করা হয়েছে। আটক তিনজনকে জিজ্ঞাসাবাদে তারা হামলার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা করার প্রস্তুতি চলছে।

একটি সূত্র জানিয়েছে, হামলার আগে বিকেলে ১১টি মোটরসাইকেলে ২০–২৫ জন সন্ত্রাসী বিআইডব্লিউটিএ খেয়াঘাট পার হয়ে নগরীতে প্রবেশ করে। সন্ধ্যায় তারা নিরালা ১৯ নম্বর রোডের পলাশ পরিচালিত মাদক আখড়ায় গিয়ে জনিকে খুঁজে না পেয়ে গুলি চালায়।

সূত্রটি আরও জানায়, গুলির পর হামলাকারীরা দুই ভাগে ভাগ হয়ে খুলনা ত্যাগের চেষ্টা করে। এর মধ্যে একদলকে ধাওয়া দিয়ে হরিণটানা থানা পুলিশ তিনজনকে আটক করতে সক্ষম হয়। অন্যদের ধরতে অভিযান চলছে।

খুলনা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, “ঘটনার খবর পেয়ে আমরা দ্রুত অভিযান চালাই। হরিণটানা থানা পুলিশের সহযোগিতায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তারা জিজ্ঞাসাবাদে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছে, যা যাচাই করা হচ্ছে।”

পুলিশের একাধিক সূত্রের মতে, খুলনার দুই শীর্ষ সন্ত্রাসী—‘পলাশ’ ও ‘গ্রেনেড বাবু’র মধ্যে চলমান অন্তর্দ্বন্দ্ব থেকেই এই সন্ত্রাসী হামলার সূত্রপাত।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category