• শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ১২:২৩ পূর্বাহ্ন
Headline
কুমুরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শামসুল হক ফরহাদের অবসর উপলক্ষে বিদায় ও সংবর্ধনা মোরেলগঞ্জে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস উদ্বোধনী অনুষ্ঠান প্রদর্শিত প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে করিমগঞ্জে শুরু নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস সিজন-২ করিমগঞ্জে নকল ভূষি উৎপাদন, তিন প্রতিষ্ঠানকে ৭৩ হাজার টাকা জরিমানা যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয় পেলেন বাংলাদেশি মোংলায় বাংলাদেশ-চীন অর্থনৈতিক ও অবকাঠামোগত সহযোগিতা বাড়াতে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর এক দিনের সরকারি সফরে মোংলায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পাইকগাছা পৌরসভায় পরিচ্ছন্নতা ক্যাম্পেইন, নির্দিষ্ট স্থানে ময়লা ফেলার আহ্বান শার্শার গোগা সীমান্ত এলাকা থেকে বিজিবি’র অভিযানে-৪৮৬ বোতল ভারতীয় নেশা জাতীয় সিরাপ উদ্ধার কিশোরগঞ্জে ট্রাফিক সচেতনতা, কিশোরগ্যাং, বাল্যবিবাহ ও ইভটিজিং প্রতিরোধে পুলিশের সচেতনতামূলক অনুষ্ঠান

জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে নদী ভাঙন রোধে স্থায়ী বাঁধ নির্মানের দাবিতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন

চীফ রিপোর্টার আ.ন.ম.লুৎফুর রহমান / ৪১৮ Time View
Update : সোমবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

আ.ন.ম.লুৎফুর রহমান:সম্প্রতি প্রতি বছরই দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা দীর্ঘদিন থেকেই রাক্ষসী যমুনা, ব্রহ্মপুত্র, জিঞ্জিরাম, দশানী ও বড়িয়ালমারী নদের কড়াল গ্রাসের শিকার। নদী ভাঙন শতাধিক মানুষের নিঃম্ব হওয়ার গল্প যেন জনম-জনমের। সেই সাথে দুঃশ্চিন্তায় ফেলে দিয়েছে পুরো দেওয়ানগঞ্জবাসীকে। নদী ভাঙন রোধে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ এখন সময়ের দাবী। নয়তো পুরো দেওয়ানগঞ্জ নদীনগর্ভে বিলিন হবে এটাই স্থানীয়দের ধারনা।

কবিতা
যমুনার চরের চাষী

সখিঃ এই চরেতে ছিল নাতো কোন বাড়ি ঘর
বলতো লোকে এইট্যা ছিল ধূ-ধূ বালির চর

যমুনা পাড়ের বালির চরে ধূলোয় অন্ধকার,
দিন-দুপুরেও সেথায় যাবার সাহস ছিল কার?
চারিদিকে উপচেপড়া গভীর নদীর ঢেউ,
এই চরেতে ঘর বাঁধিবার সাহস পাইনি কেউ।

বলল চাষী বাপের ভিটা বিলীন করলো নদী,
আশায় ছিলাম অনেক বছর চর জাগিত যদি।

জমি এখন চর পড়েছে আমার বাবার ভূমি,
কোন গায়ের কইন্যা তুমি জানি নাতো আমি।

পিয়াচ, আলু, বেগুন-ভূট্টা, বাদাম, আউশে-কাউনে ভরা,
ফসল কইর‌্যা কোনো চাষী কেউ খায় নাই ধরা।

নদীর ঘাটে নৌকা চইড়্যা বাজারে দেয় পাড়ি
সন্ধ্যা বেলা সওদ্যা লইয়া ফিরে আসে বাড়ি।
ছেলে মেয়ে ওপারে যায় স্কুল কলেজে পড়তে,
রাত্রি বেলা জোনাকী বাতির বাহার লাগে জ্বলতে।

সখিঃ পরিশ্রম কইর‌্যা চাষী আর বাইধোনা ঘর,
গাঙ্গে আইলে নয়া পানি করবে তাতে ভর।

চাষীঃ ঝড়-প্লাবনে টিকে আছি না ছাড়িলাম ঘর,
সেই না ফসল উঠই সেসব ভরি খামার ঘর,
সেই ফসলে জীবন ধারন চলছে জনম ভর।
নৌকা নিয়া বণিক আসে এই সব ফসল কিনতে
চাষী তখন বেচে সেসব মনের আনন্দেতে।

গ্রাম বাংলার বাহারী শোভা দেখতে যদি চাও,
কাঁশবনে ওই কাঁশফুলে দোল তোমরা দেখে যাও
তুমি যে অবলা নারী মোর ভেদ জানলে না।
চাষী মাঠে কাজ না করলে মলিন হবে মাঠখানা।
মনে যদি চায়গো তোমার আইসো আমার ঘরে
গড়বো দু’জন কৃষি খামার অনেক যতন করে।

যমুনার চরের চাষীগুলো বরই হতো ভাগা
বছরে-বছরে ভিটে ভাংগে এই তো কপাল পোড়া।
কপাল পোড়লে কি আর হবে
পারিনাতো বাপের ভিটে ছাড়তে
জানিনাতো কত জনম পুহাবো যমুনার বুকে।

এই কবিতায় যেন আজ দেওয়ানবাসীর মুখোমুখি। সোমবার দুপুরে স্থানীয় এলাকাবাসী ভাঙন রোধে সরকার’র দৃষ্টি আকর্ষন’র জন্য ব্রহ্মপুত্র নদের পাড়ে দাঁড়িয়ে এক মানববন্ধন করেছে দেওয়ানগঞ্জবাসী।

মানববন্ধনে অংমগ্রহণকারী আ.ন.ম. মুসা আলম, মাহমুদুননবী উজ্জ্বল, আহম্মদ আলী আকালু, সাইফুল ইসলাম, রবিউল ইসলাম, ফরিদা আক্তার, আলেকা বেগম সহ অন্যান্যরা বলেন, নদ-নদী ভাঙনের ফলে দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার যোগাযোগ ব্যবস্থা হুমকির মুখে। এই মুহুর্তে ভাঙন রোধ করতে না পারলে শিক্ষা, স্বাস্থ্য সহ অসংখ্য গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান, সড়ক, কালভার্ট, ব্রীজ নদী গর্ভে বিলিন হয়ে যাবে। যা দেওয়ানগঞ্জবাসীর জীবনযাত্রার হুমকি স্বরুপ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category